V A R I E T Y   একটি অনলাইন বিনোদন পত্রিকা

File:Coxsbazar sun 2003.jpg

Image: Cox's Bazar (2003). Author: Faruque Abu Sayeed


Tea Gardens of Srimongol

Image: A tea garden in Sylhet division. Author: Shmunmun.

Bdjobseeker মূলত কর্মজীবন বিষয়ক একটি website। এ কারনে প্রথম দুটি পাতা আমরা রেখেছি কর্মজীবন সম্পর্কিত। তৃতীয় পাতা (এ পাতা) টি আমরা তৈরি করবো বিভিন্ন বিষয়ের সংমিশ্রণে l  পাতার নাম I E T Y,  অর্থাবিভিন্ন জিনিস।

আমাদের উদ্দেশ্য: বাংলা ভাষার মাধ্যমে বিনোদন এবং প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করা।

এতে থাকবেঃ
খেলাধুলা
বাংলা গল্প
বাংলা উপন্যাস
কবিতা
সিনেমা

ব্যবসা বাণিজ্য

_________________________________________________________________________________________

Avro Keyboard (অভ্র কী-বোর্ড

File:Avro Keyboard logo.png

Avro Keyboard logo. 

Copied from avro application on windows 7. Author: Rijans007

অভ্র এর প্রতি জানাই আমাদের কৃতজ্ঞতা l এর মাধ্যমে বাংলা ভাষা ব্যবহার করা আমাদের অনেক সহজ হয়েছে।  

_________________________________________________________________________________________

Some English articles will also be included. These will help most readers to improve their English.

English articles

Life

Health

Fashion

Sports

Cinema

Stories

Screenplays

Home decoration

llllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllll

We are also grateful to Wikipedia and Wikimedia Commons.

llllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllll


এ পৃষ্ঠায় আপনারা বিজ্ঞাপন দিতে পারবেন।

PROCEDURE FOR PLACING AN AD:

1 Call us on 01784 393 622

2 Send us your ad by e-mail

3 We will reply with a price

4 You make the payment

5 We will write your ad copy 

6 We will obtain your e-mail authorisation

7 We will publish your ad



SHUVO ART PALACE, NILKHET BAKUSHA MARKET, DHAKA.

- GOOD QUALITY

- GOOD PRICE

- EXCELLENT CUSTOMER SERVICE

- WE  MEET ALL DEADLINES

PLEASE CALL: 01711 201 952  

 Build success online! It starts with a $2.95 .Com Domain!  

POPULARLY KNOWN AS MIRPUR STADIUM

OFFICIAL NAME: SHER E BANGLA CRICKET STADIUM

LOCATION: DHAKA, THE CAPITAL CITY OF BANGLADESH

A NUMBER OF IMPORTANT MATCHES INCLUDING THE 2014 T20 FINAL WAS PLAYED IN THIS VENUE.E: 

AUTHOR OF IMAGE: Souvik.arko


Rangpur Riders franchise management 

Photo: Courtesy - Dhaka Tribune

re-printed with permission.

সাকিব কে পেয়ে RANGPUR RIDERS মনে করে তারাই সবচেয়ে ভাগ্যবান । BPL এর সম্বন্ধে বিস্তারিত খবর রয়েছে আমাদের অন্য website এ ।

The name of our new website is www.onlinebiztower.com

 

এই BPL NEWS লোগো তে ক্লিক করুন ।  এবং ঊপোভোগ করুন ক্রিকেট এর উপর লেখা মজার মজার খবর ।

 

SOUMYA SARKAR - MAN OF THE SERIES IN ODI

Photo: Courtesy - Dhaka Tribune

re-printed with permission.

SOUTH AFRICA VS BANGLADESH

প্রোটিয়াদের বাঘের থাবা

- মোঃ মোস্তাকিম বিল্লাহ অর্নব

Team member - Career Design. Location: Mymensingh, Bangladesh August 2015

বাংলাদেশ, ২০১৫ সালের পূর্বেও যে দলকে বিশ্বের সকল পরাশক্তির দলগুলো সমীহ করে দেখত, সে দল আজ আঙ্গুল উচু করে, চোখ রাঙ্গিয়ে সকল পরাশক্তির দলগুলোকে নিজেদের শক্তি দেখিয়ে দিচ্ছে। তারা বুঝিয়ে দিয়েছে আর ছোট হয়ে নয়, এখন থেকে বড় বাঘ হয়েই মাঠে নামবে তারা। আর এসব সম্ভব হয়েছে দলের একাগ্র প্রচেষ্টা, কঠোর অনুশীলন আর সুযোগ্য কর্ণধারের মাধ্যমে.২০১৫’র বিশ্বকাপের সাফল্যের পর বাংলাদেশ দল পাকিস্তানকে টি-টোয়েন্টি ও ওয়ানডেতে বাংলাওয়াশ তথা হোয়াইট-ওয়াশ করে। পরে পুরোশক্তির দল ভারতকে ২-১ এ হারিয়ে সিরজ জয় করে।  

সবশেষে, সম্প্রতি দক্ষিন আফ্রিকাকেও ২-১ এ হারিয়ে বিশ্বকে জানিয়ে দেয় বাংলাদেশ ক্রিকেট অঙ্গনে এক নতুন পরাশক্তি নাম। মাত্র কিছু দিন আগে দক্ষিন আফ্রিকা ২ টি-টোয়েন্টি, ৩ ওয়ানডে ও ২ টেষ্ট খেলতে আসে। প্রথম দুটি টি-টোয়েন্টি ও প্রথম একটি ওয়ানডে বাংলাদেশ দক্ষিন আফ্রিকার কাছে ভালভাবেই হেরে বসে। কিন্তু শেষ ওয়ানডেতে বাংলাদেশ দল তাদের স্বরুপে ফিরে আসে। দক্ষিন আফ্রিকাকে একদম নাজেহাল করে ফেলে। প্রথম টি-টোয়েন্টিতে প্রোটিয়াসদেরকে ১৪৮/৪ রানে বেধে দেয়ার কাজটা বোলাররা ভালভাবেই করে, কিন্তু ব্যাটিং এ টাইগারদের অবস্থা শোচনীয় হয়ে পড়ে। মাত্র ৯৬ রানেই অল-আউট হয়ে যার বাংলাদেশ দল। ২য় টি-টোয়েন্টিতে ভাল খেলার প্রত্যয়ে মাথে নামে টাইগাররা। বোলিং এ শুরুতে দাপট না দেখাতে পারলেও মাঝে বেশ ভাল নিয়ন্ত্রনে আনে টাইগাররা। কিন্তু শেষ সেশন আর ভাল করতে পারেনি, ফলে প্রোটিয়াসদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৬৯/৪। জবাবে বাংলাদেশের আবার সেই করুন শুরু। যার ফলাফল ১৯ ওভার ২ বলেই মাত্র ১৩৮ রানে অল আউট হওয়া ও টি-টোয়েন্টিতে হোয়াইট-ওয়াশ। টি-টোয়েন্টির ব্যথা কাটিয়ে ওয়ানডে ফরম্যাটে উচ্চতার শিখরে থাকা বাংলাদেশ দলের কাছে সকলের প্রত্যাশাটা তাই একটু বেশি। কিন্তু প্রতিপক্ষ যখন দক্ষন আফ্রিকা, তখন সমীকরনটা ভিন্ন হয়ে দাঁড়ায়, কেননা বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলার স্বপ্ন প্রোটিয়াসদের অপূর্ণ থাকলেও, বিশ্বকাপের বাইরে কিন্তু তারাই চ্যাম্পিয়ন। আর তাই হয়তোবা প্রথম ওয়ানডে টাইগারদের জন্য বেশ কঠিন ছিল। বৃষ্টির কারনে খেলা ৪০ ওভার হলেও, টাইগাররা মাত্র ৩৬ ওভার চার বলেই গুটিয়ে যায় মাত্র ১৬০ রান করে। জবাবে প্রোটিয়ারা ৮ উইকেট হাতে রেখেই ৩১ ওভার ১ বলেই জয় তুলে নেয়। এদিক দিয়ে বাংলাদেশ দলের ২০১৭ সালের চ্যাম্পিয়ন লীগ নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজন নিম্নে একটি ম্যাচে জয় পাওয়া। অন্যদিকে যে বাংলাদেশ পাকিস্তান, ভারতকে নাজেহাল করে দিল, তারা দক্ষিন-আফ্রিকার বিরূদ্ধে দাড়াতেই পারছিল না। সব মিলিয়ে বাংলাদেশ দলের উপর এক বিশাল চাপ ছিল। সবকিছুকে পিছনে ফেলে জয় ছিল মূল উদ্দেশ্য। আর সেজন্যই হয়তো রাজার বেশে আবার মাঠে ফিরল টাইগাররা। ২য় ওয়ানডেতে দক্ষিন আফ্রিকাকে আগে ব্যাটে পাঠিয়ে তাদেরকে ধীর রানের চাকায় আটকে রাখল বাংলাদেশ দল। মাশরাফির এটাকিং ফিল্ডিং সাজানো ও প্রত্যেকের অসম্ভভ ভাল ফিল্ডিং আর বোলারদের চরম নৈপুণ্য প্রোটিয়াদের মাত্র ১৬২ রানে আটকাতে সাহায্য করল, সেটাও আবার সবগুলো উইকেটের বিনিময়ে। ১৬৩ রানের জবাবে ব্যাট করতে ২৭ ওভার ৪ বলে ৩ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ প্রোটিয়াদের বিরূদ্ধে জয় তুলে নেয়, সাথে সাথে নিশ্চিত করে ২০১৭ সালের চ্যাম্পিয়ন্স লীগে খেলার টিকিট। শেষ ওয়ানডে যে জিতবে তারই হভে সিরিজের মুকুট। আর রাজা কি কখনও তার মুকুট হারাতে চায়! শেষ ওয়ানডেতে বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচে ৪০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে প্রোটিয়ারা করে ১৬৮ রান। ১৬৯ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে সৌ্ম্য ও তামিম আউট হবার নামই নিচ্ছিল না, দুজন বাংলাদেশের হয়ে করলেন সর্বোচ্চ ১৫৪ রানের পার্টনারশীপ। ব্যক্তিগত সৌ্ম্য ৯০ রানে আউট হলে বাংলাদেশ ৯ উইকেটের বিনিময়ে সাউথ আফ্রিকাকে হারায় এবং ২-১ সিরিজ জিতে নেয়। ম্যান অফ দ্য সিরিজ হয় সৌ্ম্য সরকার ও শেষ দুই ম্যাচের ম্যান অফ দ্য ম্যাচ ও হন তিনি। এদিকে প্রথম টেষ্টে সাউথ আফ্রিকা প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে ৪০০-৫০০ রানের স্বপ্ন দেখালেও টাইগারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিং-এর কাছে মাত্র ২৪৮ রানে প্রথম দিনেই অল-আউট হয়ে যায়। বাংলাদেশ তাদের প্রথম ইনিংস এ ৩২৬ রান করে ৭৮ রানের লিড নিলে প্রোটিয়ারা ব্যাটিং-এ নামে। কিন্তু বৃষ্টির হানাতে তাদের রান ৬১ টেই থেমে যায় ও ১ম টেষ্ট ড্র হয়। এই টেষ্টে অভিষেক হয় মুস্তাফিজুরের এবং ম্যান অফ দ্য ম্যাচ হয় মুস্তাফিজুর। এটাই প্রথম যে অভিষেকে ওয়ানডে ও টেষ্টে কোন খেলোয়ার ম্যান অফ দ্য ম্যাচ হল। দ্বিতীয় টেষ্টের ফলাফল একই। বৃষ্টির কারনে এই টেষ্টও পন্ড হয়ে যায়। খেলার মত শুধু বাংলাদেশ ৮ উইকেটের বিনিময়ে প্রথম দিন শেষে ২৪৬ রান তুলে। ম্যাচ সেরা মুশফিক এবং ম্যান অফ দ্য সিরিজ ডেল স্টেইন।


Hero of the match - 19 year old Mustafizur Rahman 5 wickets on debut - 18 June 2015

Photo: Courtesy - Dhaka Tribune

re-printed with permission.


ভারত-বধ মহাকাব্যের রচনা শুরু

- মোঃ মোস্তাকিম বিল্লাহ অর্নব

Team member - Career Design. Location: Mymensingh, Bangladesh June 2015


২০১৫’র বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ভারতের কাছে হারের প্রতিশোধ বাংলাদেশ খুব ভালভাবেই নিয়েছে বলা যায়। ভারতের মত পরাশক্তিকে ৭৯ রানে হারানো, সেটাও আবার ৪৬ ওভারে অল-আউট করে ছিনিয়ে আনা, চাট্টিখানি কথা নয়। বাংলাদেশ শুরুতে ব্যাট করতে নেমে দারুন আরম্ভ করে। দুই ওপেনার এর মারকুটে ব্যাটিং এ ধোনি তো দিশেহারা হয়েই পড়েছিল, কোন বলার রেখে কোন বলার আনবে, বোঝাই দায় ছিল। কেননা তামিম ও সৌম্য যে রকম বলের উপর নির্যাতন শুরু করেছিল, তা সত্যি বাংলাদেশি দারুন উপভোগের বিষয় ছিল। কিন্তু ১৩ ওভার ৪ বলের মাথায় দুর্ভাগ্য বশত সৌম্য রান আউট হলে ভারত শিবিরে সামান্য স্বস্তি ফিরে, এরপর নামে বৃষ্টি। তবে সেটা নিয়ে চিন্তা ছিল না, কেননা আজ খেলা না হলে খেলা হবে পরেরদিন, ছিল রিজারভ ডে।  কাজেই ওভার কমানোর কোন টেনশন নেই। কিন্তু  বৃষ্টির পরে বাংলাদেশের ব্যাটিং এ সামান্য ধ্বস নামে। আউট হয়ে যান তামিম, লিটন ও মুশফিক। কিন্তু পিচে ছিলেন তখন সাকিব ও সাব্বির, তাদের ৫২ ও ৪১ রানের উপর ভর করে এবং শেষে মাশরাফির ২১ রানের ঝড়ো ইনিংশ বাংলাদেশ দলকে এনে দেয় ভারতের বিপক্ষে সেরা ৩০৭ রানের সংগ্রহ।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে ভারতের শুরুটা দারুন হয়, মুশফিকের দুই দুইটি ক্যাচ ছেড়ে দেবার কারনে। কিন্তু শেষ রক্ষা হল না ভারতের তাসকিনের বলে শেখর মুশফিকের কাছেই ক্যাচ তুলে দেন। এখান থেকেই শুরু ভারত অধঃপতনের। তাসকিন তার পরের ওভারেই কোহলিকে মাত্র একরানে সাজঘরে ফেরান। ক্যাচ ধরেন সেই মুশফিক। পিচে তখন দাঁড়িয়ে ভারতকে আগলে রেখেছে রোহিত শর্মা, কিন্তু অভিষেক ম্যাচেই যে মুশ্তাফিজ যে এতোটা জ্বলে উঠবে, সেটা কি আর তাদের জানা! রোহিতকে ৬৩ রানের সাজঘরে ফিরিয়ে মুস্তাফিজ তুলে নেন ক্যারিয়ারের প্রথম উইকেট। তারপর রাহানিকে। ২৫ তম ওভারে মুস্তাফিজ বল করে ভুল বশত পিচের মাজখানে আসলে,ধোনি রান নেবার সময় তার সামনে মুস্তাফিজ পড়ে যায়, ধোনি ইচ্ছা করলে হয়তো বা মুস্তাফিজকে এড়িয়ে যেতে পারতেন। কিন্তু ধোনি সেটা করেননি, এমন হতে পারে দ্রুত গতির ক্রিকেট খেলার কারনেই মুস্তাফিজকে ধাক্কা মেরেছিলেন। অনেকে এই ব্যাপারটিকে অন্য ভাবে দেখেছেন, তেমনটি মনে করাও অস্বভাবিক নয়। মুস্তাফিজ কিছুক্ষনের জন্য মাঠের বাইরে চলে গেলেও, ফিরে এসে যেন আরো ধারালো হয়ে ঊঠে। তুলে নের আরো তিনটি উইকেট ও বাংলাদেশের হয়ে তাসকিনের পর দ্বিতীয় বলার হিসেবে অভিষেক ম্যাচেই তুলে নেন ৫ উইকেট। যার বিনিময়ে ভারতের মত দল ৪৬ ওভারেই অল-আউট হয় মাত্র ২২৮ রানে। আর ক্রিকেটের অন্যতম পরাশক্তি বাংলাদেশ ভারতের বিপক্ষে তুলে নেয় ৭৯ রানের সহজ একটি জয়।

তিন ম্যাচের সিরিজে ১-০ তে এগিয়ে রইলো বাংলাদেশ। সবকিছু  ঠিক থাকলে এখন শুধু প্রথমে সিরিজ ও পরে বাংলাওয়াশের হাতছানি।

 

বাংলাওয়াশের স্বাদ পেল পাকিস্তান

- মোঃ মোস্তাকিম বিল্লাহ অর্নব

Team member - Career Design. Location: Mymensingh, Bangladesh April 2015

প্রথমে ১৯৯৯ সালের পর দীর্ঘ ১৬ বছরে এসে পাকিস্তানের সাথে ওয়ানডে ম্যাচ জয়, দ্বিতীয়তে সিরিজ জয়, তারপর শেষে বাংলাওয়াশ; পাকিস্তানের জন্য সময়টা যে খুবই খারাপ যাচ্ছে সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না। ৩ ম্যাচ সিরিজের শেষ ম্যাচে পাকিস্তান শুরু ভালই করেছিল। ৩৯ ওভারে যেখানে পাকিস্তানের সংগ্রহ ছিল ২০৩ মাত্র ২ উইকেটের বিনিময়ে, সেখানে মাত্র ৪৭ রান তুলতেই অল-আউট হয়ে যায় পাকিস্তান দল। অথচ পাকিস্তানের শুরুটা দেখে মনে হচ্ছিল টাইগারদের জন্য টার্গেট ভাল অংকেরই হবে। কিন্তু মাশরাফিদের নিয়ন্ত্রিত বোলিং-এর সামনে বড় ইনিংসের স্বপ্ন ভাঙ্গে পাকিস্তানের। আর কঠিন সময়ে বাংলাদেশ দল কেমন করবে সেটাও দেখার বিষয় ছিল। সেজন্যই মাশরাফি বলেছেন “খারাপ সময়ে দল কেমন করে তা দেখা দরকার ছিল। আজকে একটা সময় মনে হয়েছিল, ওরা৩০০/৩২০ রান করবে। সেখান থেকে ঘুরে আসা; এভাবে যত বার ঘুরে আসব, তত বারআমরা ম্যাচ জিততে পারব।””

২৫১ রানের ছোট রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে দারুন শুরু করে বাংলাদেশ। দুই ওপেনারই তুলে নেন অর্ধশতক। তামিমের টানা ৩য় সেঞ্চুরীর স্বপ্ন ৬৪ রানে থেমে গেলেও থামেনি অন্য ওপেনারের সেঞ্চুরীর স্বপ্ন। সৌম্য তার ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরী করে ফেলেন ৯৭ বলেই। পরে মুশফিককে সাথে নিয়ে ২৫১ রানের সহজ জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ। আর সেই সাথে পাকিস্তানকে স্বাদ নিতে হল বাংলাওয়াশের। এই নিয়ে বাংলাদেশ ১০ বারের মত বাংলাওয়াশ করল বিভিন্ন দলকে। এর আগে বাংলাদেশ কেনিয়া, জিম্বাবুয়ে, স্কটল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড-দের মত দূর্বল এবং ওয়েষ্ট-ইন্ডিজ, নিউজিল্যান্ড ও পাকিস্তানের মত শক্তিশালী দেশদেরকে বাংলাওয়াশ করল টাইগাররা।

 

2015 ICC ODI CRICKET WORLD CUP FIXTURE

Design by মোঃ মোস্তাকিম বিল্লাহ অর্নব - Career Design team member


সকাল বেলার আবহাওয়া টা কেমন?

মোঃ মোস্তাকিম বিল্লাহ অর্নব

Team member - Career Design. Location: Mymensingh, Bangladesh

3 March 2015

Image result for bangladesh flag        Image result for sri lanka flag


অর্থা বাংলাদেশের খেলার শুরুটা হল কেমন – ভালো নাকি মন্দ?

প্রথম ওভারেই থিরিমান্নির ক্যাচ মিস – এমন টি ছিল সেদিন এর সকাল বেলার আবহাওয়া

ক্রিকেটে একটি প্রবাদ প্রায়ই বলা হয়ে থাকেক্যাচ মিস তো ম্যাচ মিস”। আর কথাটির প্রভাব সম্ভবত ভর করেছিল টাইগারদের মাথায়বিশ্বকাপ মানে গত চার বছর যত কঠিন পরিশ্রম করা হয়েছে তার যথাযথ প্রয়োগ, প্রতিটি ম্যাচে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত নিজেদের সর্বস্ব দিয়ে দেয়াকিন্তু সেই বহু আখাংকিত বিশ্বকাপে খেলার মর্যাদা অর্জনের পরও ম্যাচে না জিততে পারলেও, লড়াই না করাটা ছিল সত্যিই দুঃখজনকবিশ্বকাপের তৃ্তীয় ম্যাচে শ্রীলংকার সাথে বংলাদেশ এর খেলা দেখে প্রতিটি বাংলাদেশী ক্রিকেটপ্রেমী কষ্ট পেয়েছেনদুর্ভাগ্য আর কাকে বলে! যে দল তাদের প্রথম ম্যাচে আফগানিস্তানকে, তাদের নিখুত বোলিং ফিল্ডিং দিয়ে উড়িয়ে দিল; সেই তারাই কিনা শ্রীলংকার বিরুদ্ধে ক্যাচ মিস, স্টাম্পিং মিস, বাজে ফিল্ডিং দিয়ে বড় রানের টার্গেট দিতে সাহায্য করলব্যাটিং হোক আর বোলিং হোক, যে কোন দলের জন্যই এই দুই ক্ষেত্রে শুরুতে ভাল করা অনেকটা আবশ্যককিন্তু শ্রীলংকার সাথে ম্যাচে বাংলাদেশ বোলিং এর শুরু ভাল হলেও প্রথম ওভারেই থিরিমান্নির ক্যাচ মিস মোটেও বাংলাদেশের শুরুটা ভাল করে দেয়নি থিরিমান্নি মাত্র ৫২ রানে আউট হলেও, তার এই ৫২ রানের পিছনে ছিল টাইগারদের তিন তিনটি ক্যাচ ছাড়ার অবদানদিলশানও তুলে নিয়েছেন ক্যারিয়ারের সেরা সেঞ্চুরীর মুকুট, করেছে ১৬১ রানসাঙ্গাকারাও খেলেছেন ১০৫ রানের দূর্দান্ত এক ইনিংসকয়েকবার ক্যাচ মিস, স্টাম্পিং মিস বাজে থ্রোয়িং-এর সুবাদে শ্রীলংকা মাত্র এক উইকেটের বিনিময়ে করে ৩৩২ রান

মাথায় যখন বিশাল রানের দায়িত্ব, সেখানে ওপেনিং ভাল করাটাই মূখ্য। অথচ বাংলাদেশের অভিজ্ঞ তামিমের যেন মাথায় সেই চাপই নেই, খেলে গেলেন এক দায়িত্বহীন ম্যাচ। ম্যাচের দ্বিতীয় বলেই মালিঙ্গার বলে বোল্ হলেন শূন্য রানে। দায়িত্ব যেখানে বিশাল, সেখানে নামুলের সেই একই ধীর গতি স্বার্থ সম্পন্ন ম্যাচ, ৬৬ বল খরচ করে ২৯ রান। ওপেনিং জুটি থেকে বলার মত কিছুই আসলো না! একে একে উইকেট হারানোর উসবে মাহমুদুল্লাহ, সাকিব, মুশফিক ও সাব্বিরের বৃথা লড়াই যেন মরুর বুকে এক ফোটা জলের মত ছিল। ম্যাচে প্রাপ্তি ওই বলতে একটাই অনভিজ্ঞ সাব্বিরে ৫৩ রানের ছোট কিন্তু গুরুত্বপূর্ন ম্যাচ। শেষ ৪৭ ওভারেই সবকটি উইকেট হারিয়ে ৯২ রানের বিশাল ব্যবধানে হারে বাংলাদেশ।

ইংরেজীতে একটি প্রবাদ রয়েছে “Morning Shows the Day”- আর সেখানেই সূচনাতে ছিল বাংলাদেশ দলের বিশাল ঘাটতি, আর সেজন্যই হয়তোবা টাইগারদের মাথা নত করতে হয়েছে সিংহের নিকট। আশা করি পরবর্তী দুটি ম্যাচ জিতে নিয়ে বাংলাদেশ কোয়ার্টার ফাইনাল এ উঠে যাবে তবে সে জন্য প্রয়োজন নিষ্ঠা, একাগ্রতা, ভালো টীমওয়ার্ক এবং সুন্দর সকাল বেলার আবহাওয়া কারন আর কারো জন্য হোক না হোক, বাংলাদেশ টীম এর জন্য Morning Shows the Day কথাটি প্রকৃত পক্ষেই প্রযোজ্য এ কথা প্রমানিত হয়েছে অতীতে বহুবার

17 February 2015File:Cricket shots.svg

Author: Nichalp. Wikimedia Commons.

 ICC Cricket World Cup 2015

Realistically, what lies ahead?


By Shabab Quaderi

13 February 2015


          As each World Cup progresses, the tournament gets more competitive and exciting, less than a month ago AB de Villiers broke the record for the fastest century in ODIs, reaching the milestone in just 31 balls. Shahid Afridi, who kept the record for 17 years before New Zealand’s Corey Anderson broke it last year, has already promised to take back the record, so will the World Cup be the perfect setting for him or anyone else to achieve the impossible? Well, we’ll all know soon enough.

          The format of the 2015 World Cup features 2 pool of 7 teams each, with each team in a pool facing each other once, this means that every team this tournament will play a minimum of 6 games, so, there will be lots of action for every team.

 

POOL A

POOL B

England

South Africa

Australia

India

Sri Lanka

Pakistan

Bangladesh

West Indies

New Zealand

Zimbabwe

Afghanistan

Ireland

Scotland

UAE

 

          From each pool, the top 4 teams will qualify for the quarter-finals and enter the knockout stage. Pool A features both co-hosts, Australia and New Zealand, and they are certainly title contenders. Pool B contains both India and Pakistan and their first match will be against each other, which promises to be an exhilarating and tough contest.

Preview


POOL A

Australia

Australia have retained the no. 1 ranking in ODIs heading into the tournament, so they will no doubt, be the team to watch out for. With fast and bouncy tracks in Australia, Mitchell Johnson and Mitchell Starc will have lots of fun ripping through their opponent’s batting line-up, and with the likes of David Warner and Glenn Maxwell to bat, the opponent’s bowlers wont fair better either. Australia should win all their group stage games and qualify easily for the knock-outs. The stage is set for Australia to win yet another World Cup.

New Zealand

          New Zealand are playing all their matches in the group stage at home, and having Corey Anderson, Kane Williamson and Brendon McCullum at their disposal, New Zealand promise to put on some fireworks for their home crowd. Winning 4-2 in a home series against Sri Lanka just before the tournament, New Zealand look a very strong side and should be 2nd in their group having two very close games against England and Australia.

England

          England are set to comfortably seal 3rd place in their group. They don’t look strong enough on the field nor on paper to beat Australia or New Zealand, but are strong enough to beat the others in their group with their impressive bowling line-up who will love the fast, and quick tracks. James Anderson, Stuart Broad, Chris Woakes and Steven Finn have all looked good so far and without much experience in their squad, they will mainly rely on their bowling department to win games for them.

Bangladesh

          Bangladesh are in a very hard group and would much rather be in the other one, but nevertheless, they must fight on. To secure a quarter-final berth, Bangladesh needs to win at least four matches in the group. Obviously they need to win against the associates, but they will also need two more wins against big nations, which seem pretty unlikely. Every World Cup, since 2007, Bangladesh has beaten big teams on the world stage. India and South Africa in 2007 and England in 2011, this time, the only big team Bangladesh may beat is Sri Lanka who aren’t looking as good. It seems the highest Bangladesh can achieve is 4th in their group, but that’s only if they win three important matches against Sri Lanka, Afghanistan and Scotland, and also hope the other three do not win any matches against Australia, New Zealand or England. In the end, there may be 2 or 3 teams with the same number of points and only the net run rate will be a factor, hence, Bangladesh need to make sure they win by big margins against the lower opposition and do not suffer a heavy defeat to any of the big teams.

 

Sri Lanka

          Though Sri Lanka has two of the most experienced players of the World Cup, they don’t have the depth in the rest of the squad to do any damage. Their team heavily depends on their batting, Tillakaratne Dilshan, Mahela Jayawardene and Kumar Sangakarra all need to be on their game and score a large target if they are to be any threat. Their bowling line-up seems weak only having the dangerous Lasith Malinga, who is currently out of form. If you still aren’t convinced, they allowed Zimbabwe to reach a target of 280 in just 45 overs. Sri Lanka will need to beat the associates and Bangladesh if they wish to reach the next stage.


POOL B

South Africa

          South Africa look to be the most complete team in the tournament, a strong batting line-up in the likes of AB de Villiers and Hashim Amla and a great set of bowlers to do their part too with Dale Steyn and Morne Morkel leading the attack. South Africa should comfortably finish 1st in their group, and are definitely contenders to take the trophy home. However, the team has been dubbed “the chokers” and have yet to ever win a knock-out game in a World Cup, if they wish to win it, they must first overcome the “chokers” nickname.

Pakistan

          Pakistan will like to repeat what they last did at the World Cup when it was in Australia and New Zealand in 1992, when they won it. They certainly have a team good enough to go far in the tournament but without many world-class names, it will be tough to win it. Shahid Afridi will be leading the way with both bat and ball and with the captain Misbah-ul-Haq in his 40’s having vast maturity and experience, they should do well and finish 2nd or 3rd in their group, all depending on the result in their first match against India.

India

          India haven’t looked good since coming to Australia two months ago for the test and triangular series. It seems they can’t handle the Aussie pitches, neither with bat or ball. But the defending world champions will still try to defend their crown and if they are to do so, Rohit Sharma, who has been in red-hot form since he scored 250+ a couple of months ago, has to lead the way and score. He will have Virat Kohli and Ajinkya Rahane to help him out, India will comfortably go to the knock-outs and finish either 2nd or 3rd, the match against Pakistan will be very tight and decide their fate.

Zimbabwe

          Zimbabwe look to be the surprise team this World Cup and could cause major upsets. Already restricting New Zealand to 157/7 before the rain came and beating Sri Lanka in the warm-up matches, Zimbabwe look ready to fight. Sean Williams and Hamilton Masakadza look to be the men getting them to the knock-out stage.

West Indies

          West Indies have seemed out-of-sorts so far, with big names, Dwayne Bravo and Kieran Pollard missing from the squad due to the troubled cricket board, West Indies don’t look like they will make it past the group stage. Getting bundled out for a measly 122 in their warm-up against England, they look to have a hard time this World Cup. Their main men will be Marlon Samuels and Andre Russell, who will have to fight very hard to make it to the knockouts.

The Associates

          Afghanistan and Ireland have now achieved one-day status and will be able to compete for a spot in the 2019 World Cup and will be looking to prove that they have what it takes. Along with Scotland and UAE, these are the teams who will be looking to cause upsets. Surprisingly, the best team to do that may be Scotland, who beat Ireland by 179 runs in the warm-up match and scored 310 against West Indies, losing by just three runs. No one expects any of the associates to get past the group stage, but funnier things have happened, most recently in 2003, when Kenya, a non-test playing country reached the semi-finals.

Prediction

POOL A

POOL B

1ST Australia

1ST South Africa

2ND New Zealand

2ND/3RD India & Pakistan

3RD England

4TH-7TH Bangladesh, Sri Lanka, Afghanistan & Scotland

4TH Zimbabwe

5TH West Indies

6TH Ireland

7TH UAE

 

Pool A seems to have the top three confirmed, while the remaining four spots could go any way, even Sri Lanka could be 6th or Scotland or Afghanistan 4th. Either way, whoever finishes 4th should face South Africa in the quarters and suffer defeat. Pool B seems easy to predict, only having doubts about the Pakistan-India match which could go either way.

If these occur, it seems the quarter-finals will see Australia and South Africa going through to the semis with ease, the other 2 quarter-final games will be interesting and very close and could go any way, but New Zealand should go through and whichever team faces England (either Pakistan or India) should go through too.

In the semis, Australia will face either India or Pakistan (winner of the game against England), and should win, with the other semi-final between New Zealand and South Africa being very tight. New Zealand defeated South Africa in their warm-up match, so South Africa will be out for revenge while New Zealand will try to prove that it wasn’t a fluke.

The final should be Australia vs New Zealand/South Africa

The final is unpredictable and any of these three teams could take the trophy.



ADVERTISEMENT

                          


আপনি কি একজন Career Consultant হতে চান?

_________________________________________

বাংলাদেশ এর সর্বত্র সুযোগ আছে

______________________________________________________________ 

উপরের Career Design logo তে click করুন ...


llllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllll

 

 ICC Cricket World Cup 2015


        

IMAGES: Dhaka Tribune 


            


কি হতে পারে বাংলাদেশ বনাম আফগানিস্তানের ফলাফল?

মোঃ মোস্তাকিম বিল্লাহ অর্নব

Team member - Career Design. Location: Mymensingh, Bangladesh

17 February 2015

আগামিকাল বাংলাদেশ সময় সাড়ে নয়টায় বাংলাদেশ বনাম আফগানিস্তানের একদিনের ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। বিশ্বকাপে এবারই প্রথম এই দুই দল মুখোমুখি হতে যাচ্ছে। এর পূর্বে এশিয়া কাপে বাংলাদেশ আফগানিস্তানের মূখোমুখি হয়েছিল; ম্যাচটিতে বাংলাদেশ দলকে নিজের দেশের মাটিতে হারতে হয়েছিল। যা বাংলাদেশের জন্য ছিল বড় ধরনের অঘটন, যা কোন ভাবেই কাম্য ছিল না। যদিও ওই ম্যাচে ক্রিকেটের তিন ফরম্যাটেই নম্বর ওয়ান সাকিব আল হাসান ছিল না; সাথে ছিল না ওপেনার তামিম ইকবাল। তাই সাকিব ও তামিমকে সাথে পেয়ে বাংলাদেশ স্বাভাবিক ভাবেই চাইবে এশিয়া কাপের হারের প্রতিশোধ নিতে। কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার বা নিউজিল্যান্ডের পিচ ও বাংলাদেশের পিচ একদম ভিন্ন। যেখানে বাংলাদেশের পিচ স্লো, সেখানে অস্ট্রেলিয়া বা নিউজিল্যান্ডের পিচ ফাস্ট ও বাউন্সি। আর এ ধরনের পিচে খেলে আফগানিস্তান দল বাংলাদেশের থেকে বেশি অভিজ্ঞ। আফগানিস্তানের ফাস্ট বোলিং বাংলাদেশের দল থেকে তুলনামূলক ভাবে শক্তিশালী। আফগানিস্তানের কিছু দ্রুত গতি সম্পন্ন ফাস্ট বোলার আছে যারা এরকম বাউন্সি পিচে বল করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করবে। অর্থা আফগানিস্তান এদিক থেকে বাংলাদেশ থেকে এগিয়ে থাকবে। তবে বাংলাদেশের রুবেল, মাশরাফি ও তাসকিনও কম যায়না। কিন্তু আফগানিস্তানের ফাস্ট বোলিং বাংলাদেশের থেকে শক্তিশালী হলেও বাংলাদেশের স্পিন বল অনেক বেশি শক্তিশালী। কাজেই বাংলাদেশের স্পিন বাংলাদেশের জন্য তুরুপের তাশ হতে পারে। কেননা অস্ট্রেলিয়া বা নিউজিল্যান্ডের দীর্ঘ মাপের মাঠ ফাষ্ট বোলিং এ দীর্ঘ মাপের ছ্য় মারা যতটুকু সহজ হবে, স্পিন বলে ক্যাচ উঠার সম্ভাবনাও ততটুকুই বেড়ে যাবে, তাই স্পিন এ শক্তিশালী বাংলাদেশ আফগানিস্তানকে স্বল্প রানে বেধে রাখার সম্ভাবনা রাখে। তবে অভিজ্ঞতার বিষয়ে বাংলাদেশ আফগানিস্তান থেকে এগিয়েই থাকবে। এই নিয়ে ৫ বার বিশ্বকাপ খেলতে আসা বাংলাদেশ, আর এবারই প্রথম খেলতে আসা আফগানিস্তান কিছুটা হলেও বাংলাদেশের থেকে পিছিয়ে থাকবে। তাই অতীত ইতিহাস, প্রস্তুতি ম্যাচ, বর্তমান পিচ কন্ডিশন, বর্তমান পারফরম্যান্স, অভিজ্ঞতা সবকিছু বিবেচনা করে বলা যেতে পারে এই ম্যাচে বাংলাদেশের ম্যাচে জয় পাবার সম্ভাবনা ৬০ শতাংশ আর আফগানিস্তানের ৪০ শতাংশ।


কেমন হয়েছে এবারের বাংলাদেশ বিশ্বকাপ দল?

মোঃ মোস্তাকিম বিল্লাহ অর্নব

Team member - Career Design. Location: Mymensingh, Bangladesh

February 2015


        

IMAGES: Dhaka Tribune 


সন্ন বিশ্বকাপ ২০১৫ সামনে রেখে বাংলাদেশ যে দলের তালিকা দিয়েছে তা যথেষ্ঠ শক্তিশালী অনেকটা তারুন্য নির্ভর বলা চলে তবে প্রত্যেকজন খেলোয়ার যে প্রতিভা সম্পন্ন কঠোর পরিশ্রমী সে বিষয়ে সন্দেহের কোন অবকাশ নেই দল নির্বাচনের পূর্বে নির্বাচক কমিটি নজর দিয়েছেন খেলোয়ারদের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স অভিজ্ঞতার দিকেই তবে পারফরম্যান্সটাই ছিল মূলেএই বিশ্বকাপের জন্য যে ১৫-জন সদস্যের তালিকায় যারা স্থান পেয়েছেন তারা হলঃ

১.মাশরাফি বিন মর্তুজা (অধিনায়ক), ২.সাকিব আল হাসান(সহ-অধিনায়ক), ৩.মুশফিকুর রহিম, ৪.মাহমুদুল্লাহ, ৫.তামিম ইকবাল, ৬.মোমিনুল হক, ৭.আনামুল হক, ৮.নাসির হোসেন, ৯.সাব্বির হোসেন, ১০.সৌম্য সরকার, ১১.তাসকিন আহমেদ, ১২.রুবেল হোসেন, ১৩.আল-আমিন হোসাইন, ১৪.আরাফাত সানি এবং ১৫.তাইজুল ইসলাম।  এক নজরে দেখা নেয়া যাক এই পনেরো জনের বিশেষত্বঃ

দুটি ভিন্ন পাল্লায় দেখা যেতে পারে বিশ্বকাপের এই পনেরো যোদ্ধাদের। একদিকে অভিজ্ঞতা ও অন্যদিকে তারুন্য। একদিকে একাধিকবার বিশ্বকাপ খেলা অভিজ্ঞ সাকিব, তামিম, মাশরাফি, মুশফিক ও মাহমুদুল্লাহ, রুবেল-দের পাল্লায় ভর করে থাকবে বিজয়, সৌম্য, সানি, তাসকিন, তাইজুল, নাসির, সাব্বির, আল-আমিন, মোমিনুলদের মত তরুণ খেলোয়ার। সবকিছু ঠিক থাকলে ওপেনিং এ বিজয়-তামিমের ডান- বাম হাতের কম্বিনেশন বাংলাদেশ দলকে দেখাতে পারবে এক বড় ইনিংস-এর স্বপ্ন। অথবা এদের যে কোন একজনের বিপরীতে দেখা যেতে পারে প্রথম বিশ্বকাপ খেলতে আসা সৌম্য সরকার। অভিজ্ঞ তামিম ১৩০ ম্যাচ খেলে করেছেন মোট ৩৮২৪ রান ও শতক/অর্ধশতক মেরেছেন ৪/২৬ টি, তামিমের ব্যাটিং গড় ২৯.৮৭। আর বিজয় মাত্র ২৭ টি ম্যাচ খেলেই তুলে নিয়েছেন ৩ টি করে শতক ও অর্ধশতক, যার ব্যাটিং গড় ৩৫.৬৮। অবশ্য সৌম্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একদম নতুন মুখ, খেলেছেন মাত্র একটি ম্যাচ। মুলত অনু্র্ধ্ব-১৯ এ অষ্ট্রেলিয়ায় তার ভাল পারফরম্যান্স ও একজন অলরাউন্ডার গুনের জন্য তাকে দলে নেয়া হয়েছে। ওয়ান ডাউনে মোমিনুলের বিকল্প অনেকটা নেই বললেই চলে, ওয়ানডেতে এ পর্যন্ত তেমন বড় কোন ইনিংস না দিতে পারলেও ২৪ ম্যাচ খেলে ২৫.৬৭ গড় নিয়ে তৃতীয় স্থানে খেলার ক্ষেত্রে তার প্রতিদ্বন্দী অনেকটা নেই বললেও চলে। মিডল অর্ডারে সাকিব, মুশফিক ও মাহমুদুল্লাহ এক কথায় অপ্রতিদ্বন্দী।সকল ক্রিকেট ফরম্যাটে নম্বর ওয়ান অ্লরাউন্ডার আর অন্যকেউ নয়, বাংলাদেশের সাকিব আল হাসান।১৪১ ম্যাচে ৩৯৭৭ রান করা সাকিবের ব্যাটিং গড় ৩৫.৪৫, আর বোলিং ১৭৫ উইকেট নিয়ে তার বোলিং গড় ২৮.৪৯। অন্যদিকে সাবেক অধিনায়ক মুশফিক হচ্ছে বাংলাদেশ দলের জন্য নির্ভরতার আস্থা। ১৩৫ ম্যাচে ২৯৪০ রান করা মুশফিকের গড় ২৮.২৬ হলেও, তার সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স, সঠিক শট বাছাই, কঠিন সময়ে ধীর স্থির থাকা বাংলাদেশ দলের অন্যান্য খেলোয়ারের জন্য আস্থার প্রতীক। মিঃ ফিনিশার নাসির অনেক দিন দলের বাইরে থাকলেও তার দীর্ঘদিন ধরে খেলার জন্য ও কঠিন কঠিন সময়ে ধরে খেলার কারনে এবং সাম্প্রতিক জাতীয় লীগে সুনিপুন অলরাউন্ডার পারফরম্যান্সের জন্য এই বিশ্বকাপে তার স্থান পাওয়াটা অনেকটা নিশ্চিতই ছিল। তবে নবীন খেলোয়ার সাব্বির ও নাসির প্রস্তুতি ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ভাল খেলায়, মূল ১১ জনের দলে কাকে নেয়া হবে সেটা বলা কঠিন হবে, কারন দুজন একই স্থানে খেলে অভ্যস্ত। বল হাতে মাশরাফি, অধিনায়কত্ব পাবার পর আরো ধারালো হয়ে উঠেছে। সাথে যুক্ত হয়ছে নিজের প্রথম ম্যাচেই ভারতের পাচ উইকেট তুলে নেয়া তাসকিন, অন্যদিকে রয়েছে দ্রুত গতির ও শ্রীলংকার বিপক্ষে হ্যাট্রিক করা বোলার রুবেল হোসেন। সাথে যুক্ত হতে পারে নবীন ফাস্ট বোলার আল-আমিন। অন্যদিকে স্পিনেং-এ সাকিব পাচ্ছেন মাহমুদুল্লাহকে ও সাথে নবীন, ধারালো আরাফাত সানি অথবা জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হ্যাট্রিক করা তাইজুল ইসলামকে। মোট কথা ব্যাটিং কিংবা বোলিং সকল ক্ষেত্রেই বাংলাদেশ দল তার সম্পুর্ন শক্তিকেই পাচ্ছে। কাজেই যেকোন শক্তিশালী দলের সাথে জয় অথবা একটি উত্তেজনা মূলক খেলা আশা করাটা খুব কঠিন হয়ে উঠবে না।


বাংলাদেশের বিশ্বকাপ দল

মোঃ মোস্তাকিম বিল্লাহ অর্নব

Team member - Career Design. Location: Mymensingh, Bangladesh

February 2015

চার বছর শেষ করে আবারো জমকালো আইসিসি বিশ্বকাপ-২০১৫ শুরু হতে যাচ্ছে। আর বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখেই আইসিসি বিশ্বকাপ অভিভুক্ত দেশগুলো দিয়ে দিয়েছে তাদের ১৫-সদস্য দলের তালিকা। কিছুটা বিরম্ভ হলেও বাংলাদেশ দলও দিয়ে দি্যেছে তাদের দলের তালিকা। দলে পুরাতন কে কে থাকবে, কে থাকবে না! নতুন কোন কোন মুখ দেখা যাবে, নাকি নতুন কোন মুখের স্থানে অভিজ্ঞতাই প্রাধান্য পাবে! কাজেই দল ঘোষনার জন্য প্রত্যেক দলই প্রাধান্য দেয় প্রত্যেক খেলোয়ারের বিগত এক বছরেরে পারফরম্যান্স এর প্রতি, আর অভিজ্ঞতার প্রাধান্য তো রয়েছেই। বাংলাদেশ দল নানা জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে দিয়েছে চমকপ্রদ এক দলের তালিকা। দলের অভিজ্ঞতার পাশাপাশি দেয়া হয়েছে নতুনদের সুযোগও। আবার দলে কারো কারো অনুপস্থিতি করেছে প্রশ্নের সৃষ্টি। দলে আব্দুর রাজ্জাক, ইমরুল কায়েস, নাঈম ইসলাম, সোহাগ গাজী বিশেষ করে আব্দুর রাজ্জাকের অনুপস্থিতি করেছে প্রশ্নের সৃষ্টি। যদিও শেষ সিরিজ এ ইমরুলের বাজে পারফরম্যান্স, আর শেষ প্রিমিয়ার লিগে নাঈম, রাজ্জাক, ইমরুলের মনোমুগ্ধকর পারফরম্যান্স না থাকাটাই তাদের দলে না থাকার কারন। অন্যদিকে সোহাগ গাজীর বোলিং একশ্যান এ ক্রটি ধরার কারনেই তাকে দলে রাখা হয়নি। দলে অনেক দিন পরে ফিরেছেন মিঃ ফিনিসার খ্যাত নাসির হোসেন, চমক মুখ হিসেবে আছে সৌম্য সরকার, তাইজুল ইসলাম। এবারই প্রথমবারের মত বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছেন মোমিনুল হক, আনামুল হক, নাসির হোসেন, সাব্বির হোসেন, সৌম্য সরকার, তাসকিন আহমেদ, আল-আমিন হোসাইন, আরাফাত সানি, তাইজুল ইসলাম। তাছাড়া মাশরাফি বিন মর্তুজা, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদুল্লাহ, তামিম ইকবাল তো রয়েছেই।

বিশ্বকাপের জন্য বাংলাদেশ দলের ১৫ জন সদস্য হল-

১.মাশরাফি বিন মর্তুজা (অধিনায়ক), ২.সাকিব আল হাসান(সহ-অধিনায়ক), ৩.মুশফিকুর রহিম, ৪.মাহমুদুল্লাহ, ৫.তামিম ইকবাল, ৬.মোমিনুল হক, ৭.আনামুল হক, ৮.নাসির হোসেন, ৯.সাব্বির হোসেন, ১০.সৌম্য সরকার, ১১.তাসকিন আহমেদ, ১২.রুবেল হোসেন, ১৩.আল-আমিন হোসাইন, ১৪.আরাফাত সানি এবং ১৫.তাইজুল ইসলাম। 

BANGLADESH WILL BE PLAYING: vs Afghanistan (Feb 17), vs Australia (Feb 21), vs Sri Lanka (Feb 26),  vs Scotland (Mar 5), vs England (Mar 9), vs New Zealand (Mar 13)


WC 2015: Mortaza to lead Bangladesh


WC 2015: Mortaza to lead Bangladesh


Dhaka, Jan 5: Veteran pacer Mashrafe Mortaza will lead the Bangladesh side in the 2015 World Cup in Australia and New Zealand while Shakib Al Hasan will be his deputy. The 15-man squad for the quadrennial tournament was announced on Sunday (January 4). [See full fixture of WC 2015] The squad features five specialist batsmen and six specialist bowlers besides three all-rounders and a wicketkeeper. The side has a blend of youth and experience with the likes of Tamim Iqbal and Mushfiqur Rahim along with Mortaze and Shakib forming the core of the side. Soumya Sarkar, the 21-year-old all-rounder who has done well in the domestic season, 19-year-old Taskin Ahmed who took five wickets against India on debut in June last year and Taijul Islam who made a hat-trick on his one-day debut against Zimbabwe. Bangladesh, who are clubbed with England, Sri Lanka, Australia, New Zealand, Scotland and Afghanistan in Pool A, will leave for Australia on January 24. They will play two unofficial practice matches besides taking on Pakistan and Ireland in warm-up fixtures. Bangladesh will leave for Australia on January 24, and will play two unofficial practice matches apart from the warm-up fixtures against Pakistan and Ireland on February 9 and 12, respectively. The team's first match in the World Cup is against debutants Afghanistan at the Manuka Oval in Canberra on February 17. Bangladesh made their World Cup debut in 1999 and shocked Pakistan in that edition. Bangladesh's best performance in the World Cup came in 2007 when they reached the Super Eight stage beating India. 

BANGLADESH SQUAD FOR 2015 WC: Mashrafe Mortaza (capt), Shakib Al Hasan (vice-capt), Tamim Iqbal, Anamul Haque, Mominul Haque, Mahmudullah Riaz, Mushfiqur Rahim (wk), Nasir Hossain, Taijul Islam, Taskin Ahmed, Al-Amin Hossain, Rubel Hossain, Soumya Sarkar, Sabbir Rahman, Arafat Sunny 

BANGLADESH ITINERARY AT WC 2015: vs Afghanistan (Feb 17), vs Australia (Feb 21), vs Sri Lanka (Feb 26),  vs Scotland (Mar 5), vs England (Mar 9), vs New Zealand (Mar 13)

Read more at: http://www.oneindia.com/sports/cricket/world-cuo-2015-mashrafe-mortaza-to-lead-bangladesh-16
12194.html

SOURCE Thatscricket










ক্রিকেট এর উপর ভিত্তি করে একটি রোমান্টিক বাংলা উপন্যাস l বই টি শীঘ্রই পাওয়া যাবে 2015 বই মেলায় l

বই টির PREVIEW পড়তে পারবেন এই পাতায়, নীচে SCROLL করুন - 


     

IMAGES: Dhaka Tribune 


ওয়ানডে তে স্বরূপে ফেরার লড়াই

মোঃ মোস্তাকিম বিল্লাহ অর্নব

Team member - Career Design. Location: Mymensingh, Bangladesh

November 2014

জিম্বাবুয়েকে ৩-০ তে হোয়াইট-ওয়াশ করার পর বাংলাদেশের খেলোয়াররা বেশ খোশ মেজাজেই আছে। তবে তবে টেষ্ট ফরম্যাট আর ওয়া্নডে ফরম্যাট-তো আর এক নয়, আর তাছাড়া জিম্বাবুয়ে দল টেষ্ট থেকে ওয়ানডে দল হিসেবেই শক্তিশালী। বাংলাদেশের কোচ হাতুরিসিং এর মতে জিম্বাবুয়েদের ব্যাটিং ও বোলিং ওয়ানডের সাথেই বেশি মানানসই। আর বিশ্বকাপের পূর্বে টাইগারদের জন্য সম্ভবত এটাই শেষ ওয়ানডে সিরিজ, কাজেই টাইগারদের জন্য বিশ্বকাপের আগের প্রস্তুতি হিসেবে এই সিরিজ বেশ গুরুত্বপূর্ন। অন্যদিকে বাংলাদেশ দলের জন্য এবারই প্রথম টেষ্ট ও ওয়ানডে দলের জন্য আলাদা আলাদা অধিনায়ক ও সহ-অধিনায়ক নির্বাচন করা হয়ে্ছে। টেষ্ট-এর জন্য অধিনায়ক ও সহ-অধিনায়ক যথাক্রমে মুশফিক ও তামিম ইকাবাল এবং ওয়ানডের জন্য মাশরাফি বিন মর্তুজা ও সাকিব আল হাসানকে নির্বাচন করা হয়েছে। এই টেষ্ট হয়তো বা বাংলাদেশ দলের জন্য আনন্দের জোয়ার নিয়ে এসেছে, কিন্তু এ বছরের ওয়ানডে ম্যাচ গুলোর দিকে ফিরে তাকালে সাথে শুধু ধূসর কালো মেঘই দেখা যাবে। দেখা যাবেই না বা কেন, এ বছরের কোন ওয়ানডে ম্যাচে জয়ের স্বাদ পায়নি টাইগাররা। জয় পাবার সামর্থ্য যে নেই, সেটা নয়; অনেক ম্যাচের জয়ের কাছ থেকে খালি হাতে ফিরে আসতে হয়েছে টাইগারদের। টেষ্ট-এ জিম্বাবুয়েকে হোয়াইট-ওয়াশ করার মাধ্যমে টাইগাররা জানিয়ে দিয়েছে তারা তাদের স্বরুপে এসেছে। কাজেই ওয়ানডেতে নিজেদের সামর্থ্য আবার জাগ্রত করার জন্য ও বিশ্বকাপের পুর্বে নিজেদের যাচাই করার জন্য টাইগারদের   সর্বস্ব দিয়ে দিতে হবে। আর সে লক্ষ্যেই প্রস্তুত হচ্ছে বাংলাদেশ দল। ওপেনিং এ তামিম, এনামুল তো রয়েছেই, সাথে শেষ টেষ্টে ভাল ফর্মের  জন্য ওয়ান-ডাউনে দেখা যেতে পারে আরেক ওপেনার ইমরুল কায়েসকে। আর দলে মিডল অর্ডার নিয়ে কোন চিন্তা নেই, কারন সাকি মুশফিক ও মাহমুদুল্লাহরা ফর্মে আছেন। তবে বাজে পারফরম্যান্সের জন্য দল থেকে বাদ পরেছেন নাসির, আর তার স্থানে দেখা যেতে পারে সাব্বির হোসেনের। টেষ্ট সিরিজের মত ওয়ানডে সিরিজেও বাংলাদেশ দল চাইবে জিম্বাবুয়েকে হোয়াইট-ওয়াশ করতে। তবে এখন হোয়াইট-ওয়াশ নয়, ওয়ানডেতে নিজেদের স্বরূপে ফিরে আসা ও প্রথম ম্যাচে জয় পাওয়াটাই টাইগারদের মূল লক্ষ্য।


 



বাংলাদেশ বনাম জিম্বাবুয়ে- দ্বিতীয় টেষ্ট

সমতা না সিরিজ জয়ের লড়াই?

মোঃ মোস্তাকিম বিল্লাহ অর্নব

Team member - Career Design. Location: Mymensingh, Bangladesh

Date: 2 November 2014

অনেক দিন পরে জয়ের দেখা পেয়েছে বাংলার দামালরা প্রথম টেষ্ট-এ বাংলাদেশ দল জিম্বাবুয়েকে তিন উইকেটে হারায়তবে এই টেষ্টে জয় পেলেও বোলিং ছাড়া বড় পাওয়া আর কোন কিছুই হয়নি বাংলাদেশেরজিম্বাবুয়ে ইনিংস-এ প্রথমে ব্যাটিং করে মাত্র ২৪০ রান তুলতেই হারিয়ে ফেলে সবকটি উইকেটআর অনেকদিন পর দলে ফিরেই সাকিব তুলে নেয় ৬ উইকেটজবাবে বাংলাদেশ ব্যাট করতে নেমে বড় রানের স্বপ্ন দেখিয়েও মাত্র ২৫৪ রান তুলতে হারায় তাদের সব উইকেটতবে দ্বিতীয় ইনিংস-এ তাইজুলের স্পিন বোলিং এর তোপের মুখে পরে মাত্র ১১৪ রান করতেই অল-আউট হয় জিম্বাবুয়েতাইজুল এর ক্যারিয়ারের সেরা বোলিং স্পেলও হয়ে যায় এই ম্যাচেইতাইজুল ৩৯ রানে তুলে নেয় ৮ উইকেটকিন্তু ১০১ রান করতে গিয়ে টাইগাররা হারিয়ে ফেলে ৭ উইকেট, অর্থা এই টেষ্ট-এ স্পিনারদের দাপট ছিল ঠিকইকিন্তু ব্যাটিং ও ফাস্ট বোলিং এ টাইগাররা খুব বেশি উন্নতি দেখাতে পারেনিআর এ জন্যই দ্বিতীয় টেষ্ট- ফাষ্ট বোলার আল-আমিনকে বাদ দিয়ে দলে আরেকজন ব্যাটসম্যান নেয়া হয়েছেএ জন্য দলে ডাকা হয়েছে এনামুল হক বিজয়কেঅন্যদিকে তামিমের বৃ্দ্ধাঙ্গুলে চোট পাওয়ায়, তার এই টেষ্ট খেলা নিয়ে সংশয় রয়েছেআর প্রথম টেষ্ট-এ বাংলাদেশের স্পিনের কাছে হার মানায় সামনের টেষ্টকে মাথায় রেখে জিম্বাবুয়ে দলও নিচ্ছে স্পেশাল ট্রেনিংবাংলাদেশ এ পর্যন্ত জিম্বাবুয়ের সাথে ১২ টি টেষ্ট খেলেছেকিন্তু বাংলাদেশ দল মাত্র জয় পেয়েছে ৩ টি, হেরেছে ৬টি-তে আর বাকি ৩টি ম্যাচ হয়েছে ড্রকাজেই প্রথম টেষ্ট হারার পর জিম্বাবুয়ে দল যে এই দ্বিতীয় টেষ্ট-এ জয় পাবার জন্য মরিয়া হয়ে আছে সেটা নিশ্চিতএখন এটাই দেখার বিষয়, দ্বিতীয় টেষ্ট জিম্বাবুয়ের জন্য সমতার লড়াই নিয়ে আসে না, না নিয়ে আসবে বাংলা্দেশের জন্য টেষ্ট সিরিজ-এ জয় পাবার আনন্দ!!

 


বাংলাদেশ বনাম জিম্বাবুয়ে- প্রথম টেষ্ট


24.10.2014

বাংলাদেশের এ বছরের শুরু ভাল হয়নি, হয়নি পাওয়া এ বছরের কোন ম্যাচে জয়; তাই টাইগাররা সম্ভবতই চাইবে পূর্বের সকল দুঃখের কথা ভুলে তাদের জয়ের ধারায় ফিরে আসতেআর এবারই প্রথম বাংলাদেশের টেষ্ট ও একদিনের ম্যাচের অধিনায়ক আলাদা আলাদা হতে যাচ্ছেটেষ্ট দলের অধিনায়ক থেকে যাচ্ছে মুশফিকুর রহিম ও সহ-অধিনায়ক থাকবে তামিম ইকবালআর একদিনের ম্যাচে অধিনায়ক মুশফিককে পরিবর্তন করে অধিনায়ক করা হয়েছে মাশরাফি বিন মর্তুজাকে এবং সহ-অধিনায়ক হচ্ছে সাকিব আল হাসানবাংলাদেশের এ বছরের শেষ সিরিজ জিম্বাবুয়ের সাথেখেলা হবে বাংলাদেশের মাটিতেবাংলাদেশ জিম্বাবুয়ের সাথে খেলবে ৩ টেষ্ট ও ৫ টি একদিনের ম্যাচছয় মাসের শাস্তি আগস্টেই কমানোর ফলে অনেকদিন পরে দলে ফিরছেন বাংলাদেশের ক্রিকেটের প্রান সাকিব আল হাসানঅন্যদিকে আইসিসির বোলিং একশন নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করায় আল-আমিন ও বোলিং একশন নিয়ে ভুল পাওয়ায় সোহাগ গাজিকে দলে পাচ্ছে না বাংলাদেশতাদের স্থানে ডাক পেয়েছে জুবায়ের হোসে্ন ও শাহাদত হোসেনএইবারই প্রথম বাংলাদেশ দলে লেগ স্পিনার স্পেশালিস্ট হিসেবে অভিষেক হতে যাচ্ছে জুবায়ের হোসে্নেরঅথচ যুবায়ের কিনা প্রথম শ্রেনীর ম্যাচ খেলেছে মাত্র দুটিগত মাসে আনফিশিয়াল টেষ্ট ম্যাচে জিম্বাবুয়ে-এ দলের সাথে ২ ম্যাচে তুলে নেয় ১১টি উইকেটঅন্যদিকে বাজে পারফরম্যান্সের কারনে দল থেকে বাদ পরেছে নাসির হোসেন, দলে ডাক পেয়েছে মার্শাল আইয়ুব ও সুভাগত হোমবাংলাদেশ টেষ্ট স্বীকৃতি পাবার চার বছর পর হাবিবুল বাশারের নেতৃ্ত্বে প্রথম টেষ্ট এ জয় তুলে নিয়েছিল এই জিম্বাবুয়ের বিরূদ্ধেইমুশফিক তাই চাইবেই তার দলের উপর ভর করে বাংলাদেশকে জয়ের আস্বাদ দিতেআগামিকাল থেকে বাংলাদেশ বনাম জিম্বাবুয়ের টেষ্ট ম্যাচ শুরু হতে যাচ্ছে


lllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllll


বাংলাদেশের ওয়েষ্ট-ইন্ডিজ সফর  2014


     Bangladesh cricket crest                               DARREN SAMMY.jpg    West Indies cricket crest

IMAGES: WIKIPEDIA

মোঃ মোস্তাকিম বিল্লাহ অর্নব

Team member - Career Design. Location: Mymensingh, Bangladesh

Date: 11.08.2014

বাংলাদেশের এ বছরের প্রথম দেশের বাইরের সফর শুরু ওয়েষ্ট-ইন্ডিজ দিয়ে। তিনটি একদিনের, একটি টি-টোয়েন্টি ও দুটি টেষ্ট খেলতে যাবে বাংলাদেশ। এই মাসের আগষ্টের ২০ তারিখ থেকে শুরু হবে টাইগারদের ক্যারাবিয়ান সফর। ওয়েষ্ট-ইন্ডিজের এই সফরে শাস্তির জন্য খেলতে যেতে পারবে না সাকিব আল হাসান, যা বাংলাদেশের জন্য বড় ধরনের ধাক্কা। মুলত শেষ ক্যারিবিয়ান লিগে খেলতে যাবার পূর্বে লিখিত অনুমতি না নেবার কারনে তাকে বিসিবি ৬ মাসের জন্য দেশের ও দেড় বছরের জন্য বাইরের সকল ধরনের খেলা থেকে নিষেধাজ্ঞা দেয়। এছাড়াও বাদ পরেছে জিয়াউর রহমান। বাংলাদেশের ১৫ সদস্যের দলে অনেক দিন পর দলে ফিরেছেন ইমরুল কায়েস। ডুয়ান ব্রাভোর নেতৃত্বে ওয়েষ্ট-ইন্ডিজ দলে রয়েছে নারিন, গেইল, এডওয়ার্ড ও স্যামির, ড্যারন ব্রাভোর মত অভিজ্ঞ খেলোয়ার। আর তাছাড়া ক্যারিবিয়ান লীগের মাধ্যমে তারা প্রত্যেকেই খেলায় রয়েছে। তাই ওয়েষ্ট-ইন্ডিজকে হারানো সহজ হবে না।

বাংলাদেশ ওয়েষ্ট ইন্ডিজের সাথে শেষ সিরিজ জিতেছিল ৩-২ এ। দু’দল এ পর্যন্ত ২৫টি একদিনের ম্যাচ খেলেছে যার মাঝে বাংলাদেশ জিতেছে মাত্র ৭টি, ওয়েষ্ট-ইন্ডিজ জিতেছে ১৬টি ও বাকি দুটি ম্যাচ হয়েছে পরিত্যক্ত। টেষ্ট হয়েছে ১০টি যার মাঝে ওয়েষ্ট-ইন্ডিজ জিতেছে ৬টি আর বাংলাদেশ ২টি ও বাকি ২টি পরিত্যক্ত হয়েছে। আর টি-টোয়েন্টি ম্যাচ হয়েছে ৪টি, দু’দলই জিতেছে ২টি করে।

এবছর দেশের মাটিতে বাংলাদেশের পরিসংখ্যান খুব খারাপ। এ বছরের প্রত্যেক ম্যাচ হেরেছে বাংলাদেশ। সুযোগ যে আসেনি, সেটা নয়। যেমন করেছে দূর্দান্ত বোলিং তার থেকে করেছে খারাপ ব্যাটিং। এইতো শেষ ভারতের সাথে সিরিজে ভারতের মত শক্তিশালী দলকে ১০৫ রানে অল-আউট করার পরও হেরেছে সেই ম্যাচও। বাংলাদেশ করেছিল মাত্র ৫৮ রান সেটাও সব কটি উইকেটের বিনিময়ে। এখন দেখার বিষয় দেশের বাইরে টাইগাররা কি করে?

 

Suspended Shakib Al Hasan to miss CLT20, IPL 8 for KKR

Posted by: Aprameya C Updated: Monday, July 7, 2014, 18:00 [IST]

Suspended Shakib to miss CLT20, IPL 8

Dhaka, July 7: 

IPL 7 champions Kolkata Knight Riders (KKR) will be without their Bangladeshi all-rounder Shakib Al Hasan for this year's Champions League Twenty20 (CLT20) and also the IPL in 2015 after the player was suspended by the country's cricket board for "severe attitude problem". 

On Monday, Bangladesh Cricket Board (BCB) suspended Shakib for six months and also prevented him from taking part in any overseas Twenty20 league till the end of 2015 after a spat over his participation in the Caribbean Premier League (CPL). BCB took this decision at the board of directors meeting today. BCB has decided not to give Shakib No Objection Certificate (NOC) to play in foreign leagues. "He has a severe attitude problem, which is unprecedented in the history of Bangladesh cricket. We think that his behaviour is such that it's directly impacting the team," BCB president Nazmul Hassan told reporters. 

Recently, there were media reports claiming Shakib had threatened to quit international cricket. However, the player had denied them. He returned to Bangladesh from London yesterday after being asked by BCB to join the national camp. Shakib was on his way to play in CPL without obtaining NOC from BCB. However, he said he had the permission to head to the Caribbean. Shakib's ban is a big blow for Bangladesh and also KKR. For KKR, he did well during this year's IPL and helped the team win the title. KKR will be playing in CLT20 this year in India. 

ThatsCricket

SOURCE: www.thatscricket.com          REPRINTED WITH PERMISSION.

thatscricket




ভুমিকা



বাংলাদেশ বনাম ভারত


প্রথম ODI


১৫ জুন, ১৯১৪ ইং

মোঃ মোস্তাকিম বিল্লাহ অর্নব

Team member - Career Design. Location: Mymensingh, Bangladesh

      Suresh Raina grace the 'Salaam Sachin' conclave.jpg  Shakib-Al-Hasan-Face.jpgMashrafe Mortaza training, 23 January, 2009, Dhaka SBNS.jpg

IMAGES: WIKIPEDIA

সারা বিশ্ব যখন ফুটবল জ্বরে কাঁপছে, তার মাঝে ভারত বাংলাদেশের খেলা বেশি সরগরম না হলেও কম নয়। বিশেষ করে আমাদের জন্য, কেননা ২০১০ সালের পর মাঝখানে এশিয়া কাপ ছাড়া বাংলাদেশ ভারতের সাথে কোন ওয়ান্ডে ম্যাচে মুখোমুখি হয়নি। তাই টাইগার ও দেশের লোকজনের জন্য এই সিরিজ ফিফার মত বেশি উত্তেজনাময় না হলেও কম নয়। সিরিজ় খেলার জন্য সূরেশ রায়নার নেতৃ্ত্বাধীন ভারত দল আজ সকাল ৯টায় দেশে এসেছে। যদিও ভারতের সিংহভাগ খেলোয়ারই আসেনি এই সিরিজে, মূলত আইপিএল এর পারফরম্যান্স এর উপর নির্ভর করেই দলটি ঘোষনা করা হয়েছে। তাদের না আসা বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক মূশফিক মোটেও ভালভাবে নেয়নি। তামিম ইকবালের মতে ধোনি, বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মা-দের মত বড় খেলোয়ারদের অনুপস্থিতি একদিকে বাংলাদেশের জন্য সুবিধাই নিয়ে এসেছে। ভারতের দল যে খারাপ, সেটা নয়, আইপিএলের সেরা খেলোয়ারগুলোই এসেছে। তবে বড় খেলোয়ারদের অনুপস্থিতি বড় বিষয়। কারন মনস্তান্তিক ভাবে বাংলাদেশ সাহস একটু বেশিই পাবে।

বাংলাদেশ ও ভারতের ম্যাচটি হবে শের-এ-বাংলা জাতীয় স্টেডিয়মে। দু’মাস পূর্বের মাঠে পিচ অনুযায়ী স্টেডিয়ামটি স্পিনারসদের জন্য সুবিধাজনক। পিচ আগের মত থাকলে বাংলাদেশ তাদের স্পিন শক্তিকে কাজে লাগাতে চাইবেই।


বাংলাদেশ দলের কালকের ম্যাচে সম্ভাব্য একাদশঃ

তামিম ইকবাল, এনামুল হক, মোমিনুল হক, মুশফিকুর রহিম(অধিনায়ক), সাকিব আল হাসান, নাসির হোসেন, মাহমুদুল্লাহ, আব্দুর রাজ্জাক, সোহাগ গাজী, ১০ মাশরাফি বিন মর্তুজা, ১১ তাসকিন আহমেদ


কালকের ম্যাচে ভারত দলে আকছার পাটেল অথবা পারভেজ রাসূল এর অভিষেক হতে পারে। 

ভারতের সম্ভাব্য একাদশঃ

রবিন উত্থাপা, ২ চেতশ্বর পূজারা, ৩ আজিনকা রাহানি, সুরেশ রায়না(অধিনায়ক), আম্বানি রায়দু, ৬ রিদ্দিমান সাহা, পারভেজ রাসুল/ আকসার পাটেল, আমিত মিশরা, বিনয় কুমার, ১০ মোহিত শর্মা, ১১ উমেশ ইয়াদব

ভারত ও বাংলাদেশ এক অপরের মুখোমুখি হয়েছে মোট ২৫ বার। যার মাঝে ভারত জয় পেয়েছে ২২ বার ও বাংলাদেশ ৩ বার। ১৫ জুন এর ম্যাচের পর, এখন পরিসংখ্যান ২৩-৩ হবে না ২২-৪ হবে সেটাই দেখার বিষয়।

  

FIFA ২০১৪ বিশ্ব কাপ F I N A L

সাম্প্রতিক খবর 11.07.2014

মোঃ মোস্তাকিম বিল্লাহ অর্নব

Team member - Career Design. Location: Mymensingh, Bangladesh

               

MESSI  - ARGENTINA                      MULLER - GERMANY

Images: Wikipedia


২০১৪ সালের বিশ্বকাপের জমজমাট আয়োজন এখন শেষের অপেক্ষায়। ১৩ জুলাই বাংলাদেশ সময় 

রাত দুইটায় হবে আর্জেন্টিনা বনাম জার্মানির ফাইনাল ম্যাচটি। একদিকে ২৪ বছর পর বিশ্বকাপ 

ফাইনালের হাতছানি আর্জেন্টিনার ও অন্যদিকে ১৯৯০ সালের চ্যাম্পিয়ন হবার পর আর কোন 

বিশ্বকাপে জয়ের স্বাদ পায়নি জার্মানি। এই ম্যাচে জয় পেলে আর্জেন্টিনা তৃ্তীয় বারের মত বিশ্ব 

চ্যাম্পিয়ন হবে, এর পূর্বে তারা ১৯৭৮ ও ১৯৮৬ সালে বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। আর এই 

ম্যাচে জয় পেলে জার্মানির জন্য আসবে চতুর্থবারের মত বিশ্বকাপ। তারা ১৯৫৪, ১৯৭৪ ও 

১৯৯০ সালে হয়েছিল বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন।


আর্জেন্টিনার এ বারের বিশ্বকাপের শুরুতে খুব ভাল পারফর্ম দেখাতে পারেনি ঠিকই, তবে ম্যাচ যত গিয়েছে তাদের খেলার মান তত উন্নত হয়েছে। অনেকটা ৮৬’র মত, তখন যেমন ম্যারাডোনা একা টেনে তুলেছিল আর্জেন্টিনাকে, তেমনি এবারের আর্জেন্টিনাকে টেনে তুলছে ফুটবলের বর্তমান বিশ্বসেরা লিওনেল মেসি। আর্জেন্টিনা রক্ষনভাগ ও গোলকিপার নিয়ে যে সংশয় ছিল, ডাচদের সাথে ম্যাচের পর অবশ্যই সবার ভূল ধারনা ভেঙ্গে গেছে। ম্যাচটিতে আর্জেন্টিনা পেনাল্টি শুটে ৪-২ ব্যবধানে জয় পায়। অন্যদিকে জোয়াকিম ল’র জার্মানির মধ্যে নেই কোন কমতি, সংশয়। যেমন শক্ত তাদের রক্ষনভাগ, তেমন আক্রমনভাগ। সেমিফাইনালে ফুটবল বিশ্বের অন্যতম পরাশক্তি ব্রাজিলকে তারা হারিয়েছে ৭-১ এর বিশাল ব্যবধানে। ২৯ মিনিতে ৫ গোল করে করেছে বিশ্বরেকর্ড। এবারের বিশ্বকাপের সবথেকে পারফেক্ট দল জার্মানি। কোন বিশেষ একজনের প্রতি নয় পুরো দলের উপর তারা আস্থা রাখে। কাজেই বিশ্বকাপ আর্জেন্টিনার হাতে যতটা শোভা পাবে, ততটাই তাদের হাতে শোভা পাবে।


আর্জেন্টিনা ও জার্মানি এ পর্যন্ত মোট ম্যাচ খেলেছে ২০ টি। আর্জেন্টিনা জয় পেয়েছে ৯ টি ম্যাচে 

আর জার্মানি ৬ টি ম্যাচে আর বাকি ৫ ম্যাচ হয়েছে ড্র। মোট গোল হয়েছে ৫৬ টি এবং দুদলই 

করেছে সমান ২৮টি করে গোল। আন্তর্জাতিক ম্যাচে্ আর্জেন্টিনার জয় বেশি হলেও বিশ্বকাপে 

জার্মানির জয় বেশি। বিশ্বকাপে তারা মুখোমুখি হয়েছে মোট ৫ বার, যার মাঝে জার্মানি জয় 

পেয়েছে ৪বার। আর্জেন্টিনা জয় পেয়েছে মাত্র একবার, ১৯৮৬’র ফাইনালে। ইতিহাস যেটাই হোক, 

এখন শুধু অপেক্ষা কার হাতে উঠবে ১৪’র বিশ্বকাপের শিরোপা। 



সাম্প্রতিক খবর 03.07.2014


২০১৪ সালের ফুটবল বিশ্বকাপের ২০তম আসরের প্রথম ও নকআউট পর্ব শেষ হয়ে ৪ জুলাই শুরু হবে এবার কোয়ার্টার ফাইনালের যাত্রা। কোয়ার্টার ফাইনালে লড়বে ৩২ দলের থেকে অবশিষ্ট থাকা বাকি আটদল। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, আটটি দলের প্রত্যেকেই গ্রুপ পর্বে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে এসেছে। অর্থাৎ এবারের আসরের সেরা, এক কথায় যোগ্য দলগুলোই এসেছে কোয়ার্টার ফাইনালে। দলগুলো হলঃ ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, জার্মানি, নেদারল্যান্ডস, বেলজিয়াম, ফ্রান্স, কলম্বিয়া ও কোষ্টা রিকা।


২৬ জুন প্রথম পর্বের লড়াই শেষ হবার পর ২৮ জুন থেকে শুরু হয় ১৬ দলের নক আউট পর্বের লড়াই। তবে এবারের আসরে স্ট্রাইকাররা না যতটুকু ভোগাচ্ছে, তার থেকে বেশি ভোগাচ্ছে প্রত্যেক দলের গোলকিপার। বিশেষ করে নক-আউটপর্বের ম্যাচ গুলোতে। তবে এদিক থেকে আর্জেন্টিনার গোলকিপার সামান্য পিছিয়ে রয়েছে বলা চলে। এক নজরে নক-আউট পর্বের উল্লেখযোগ্য ম্যাচগুলোর সারমর্ম দেখা যাকঃ

২৮ তারিখে প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হয় র‌্যাঙ্কিং এ তিন নম্বরে থাকা স্বাগতিক ব্রাজিল ও ১৪ তে থাকা চিলি। খুব কষ্ট হলেও ম্যাচ নিজের করে নেয় ব্রাজিল। পেনাল্টিতে ৩-২ গোলে চিলিকে হারিয়ে প্রথম দল হিসেবে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠে ব্রাজিল। ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ের শেষের দিকে চিলির বল ব্রাজিলের ক্রসবারে না লাগলে হয়তোবা স্বাগতিক ব্রাজিলকেই বিদায় নিতে হত এ আসর হতে। একইদিনে পরের ম্যাচে উরুগুয়েকে ২-০ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করে কলম্বিয়া। তবে বর্তমানে ড্রাকুলা খ্যাত সুয়ারেজ যদি ইতালির আন্দ্রেয়া বারজাল্লিকে কামড় না দিত তবে হয়তোবা সমীকরনটা অন্যরকম হতে পারত।ওই ম্যাচে কলম্বিয়ার জেমস রদ্রিগেজ উরুগুয়ের ‍দুই গোল করে, মোট পাচ গোল করে বিশ্বকাপের এবারের আসরে সর্বোচ্চ পাঁচ গোলদাতার শীর্ষে উঠে আসে।

২৯ তারিখের প্রথম ম্যাচে মেক্সিকোকে ২-১ গোলে হারিয়ে শেষ আট এ স্থান পায় নেদারল্যান্ডস। 

তবে আরিয়েন রবেন এর ডি-বক্স এর ভিতর সুনিপুন অভিনয়ের জন্য পেনাল্টি না পেলে 

মেক্সিকোর হাতেও ম্যাচটি জেতে পারত। যদিও এইবার সহ টানা চার বার দ্বিতীয় রাউন্ড থেকেই 

বাদ যেতে হয়েছিল মেক্সিকোকে। পরের গ্রীস ও কোষ্টারিকার ম্যাচ অতিরিক্ত সময় পর্যন্ত ১-১ 

গোলে অমিমাংসিত থাকে।পরে ৫-৩ গোলে গ্রিসকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নেয় 

কোস্টারিকা। কোয়ার্টার ফাইনালে  উঠার মাধ্যমে ইতিহাস তৈরি করে কোষ্টা রিকা।


৩০ জুন ফ্রান্স ও নাইজেরিয়ার খেলায় পগবার দেওয়া গোলে এগিয়ে যায় ফরাসিরা। পরে 

নাইজেরিয়ার আত্মঘাতী গোলে ২-০ তে এগিয়ে যায় ফ্রান্স ও ম্যাচ করে নিজেদের।
অপর ম্যাচে আলজেরিয়ার ও জার্মানদের মধ্যে হয় হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। নির্ধারিত সময়ে কোন দলই গোল পায়নি । অতিরিক্ত সময়ে আলজেরিয়ার জালে দুই বার বল পাঠিয়ে জয় তুলে নেয় জার্মানরা। আলজেরিয়া শেষ মুহূর্তে এক গোল পরিশোধ করায় গোল দাঁড়ায় ২-১।

১ জুলাই নকআউট পর্বের শেষ দিনে আর্জেন্টিনা মুখোমুখি হয় সুইজারল্যান্ডের। খেলার নির্ধারিত 

সময় থাকে গোল শূন্য এমনকি অতিরিক্ত সময়ের প্রথমার্ধও থাকে গোলশূন্য। তবে বরাবরে মত 

আর্জেন্টিনাকে জয়ের স্বাদ পায়িয়ে দেয়া মেসির অসাধারন পাসে ১১৮ মিনিটে বল সুইসদের জালে 

জড়িয়ে দলকে জয়ের বন্দরে নিয়ে যান ডি মারিয়া। এই ম্যাচ নিয়ে টানা চার ম্যাচ ম্যাচসেরা 

হয় মেসি। আর গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে রেড ডেভিলস খ্যাত বেলজিয়াম মুখোমুখি হয় যুক্তরাষ্ট্রের।আর গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে রেড ডেভিলস খ্যাত বেলজিয়াম মুখোমুখি হয় যুক্তরাষ্ট্রের। এই খেলাটিও নির্ধারিত সময় পার করে নেয় অতিরিক্ত সময়। অতিরিক্ত সময়ের শুরুতে ধাক্কা খায় যুক্তরাষ্ট্র। শেষ এ ২-১ এ ম্যাচ নিজের করে নেয় বেলজিয়াম। আগামী ৪ জুলাই থেকে কোয়ার্টার ফাইনাল শুরু হবে।


৪ জুলাই ১০টায় মুখোমুখি হবে ফ্রান্স ও জার্মানি। ২টায় খেলা হবে স্বাগতিক ব্রাজিল ও কলম্বিয়ার।

৫ জ়ুলাই ১০ টায় মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা ও বেলজিয়াম। ২টায় খেলা হবে নেদারল্যান্ড-

কোস্টারিকা ম্যাচ।

পৃথিবীর বিভিন্ন অংশে বিভিন্ন  দেশের জন্য সাপোর্ট পরিলক্ষি্ত হয়, তবে এবারো সবচাইতে বেশী সমর্থন সেই চির পুরাতন ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার ই।

 

 

চ্যাম্পিয়ন হবার স্বপ্ন দেখছে কারা কারা?

12 June 2014

২০১৪ সালের ফিফা শুরু হতে যাচ্ছে আগামিকাল অর্থা ১২ জুন থেকে। এবারের আসর হবে ফুটবলের কিংবদন্তি পেলের শহরে। প্রতিবারের মত এবারও ৩২টি দল অংশ নিতে যাচ্ছে ফুটবলের এই বড় আসরে। দেশগুলো হলঃ ব্রাজিল, মেক্সিকো, ক্রোয়েশিয়া, ক্যামেরুন, স্পেন, চিলি, অস্ট্রেলিয়া, নেদারল্যান্ডস, কলম্বিয়া, গ্রিস, আইভরি কোষ্ট, জাপান, ইতালি, উরুগুয়েইংল্যান্ড, কোষ্টা রিকা, সুইজারল্যান্ড, ফ্রান্স, ইকুয়েডরহন্ডুরাস, আর্জেন্টিনা, বস্নিয়া, ইরান, নাইজেরিয়া, জার্মানিপর্তুগাল, ঘানা, যুক্তরাষ্ট্র, বেলজিয়াম, রাশিয়া, আলজেরিয়া এবং দক্ষিন কোরিয়াপ্রত্যেক দল চাইবে হার হোক অথবা জয় হোক, তাদের সবথেকে ভাল পারফরম্যান্স দিতেতবুও ফিফা ২০১৪ সালে চ্যাম্পিয়ন হবার সভাবনা যে দলগুলোর বেশি তারা হলঃ

ব্রাজিলঃ


২০১৪ সালের ফিফার আয়োজক ব্রাজিল। এর আগে ১৯৫০ সালে তারা আয়োজক হয়েছিল, চ্যাম্পিয়ন না হতে পারলেও রানার্স-আপ হয়েছিল আয়োজক ব্রাজিল। যদি আল্লাহ’র দ্বিমত না থাকে তবে এবারের চ্যাম্পিয়ন হবার সবটুকু যোগ্যতাই রাখে পাঁচ বারের চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। নিজের দেশ, নিজের মাঠ ব্রাজিল সুযোগ বেশি পাবে সেটাই স্বাভাবিক।

File:Neymar Barcelona presentation 1.jpg

Image: Basc catala [via Wikimedia Commons].


নেইমার, কাকা, অস্কার, লুকাস, হাল্ক গানছ কে নিয়ে ব্রাজিলে দল অনেক শক্তিশালিআর বিশ্বের কয়েকজন ভাল গোল কিপারের তালিকায় থাকা চেযার তো রয়েছেইএখন শুধু দেশের মানুষের প্রত্যাশা কতটুকু পূরন করতে পারে সেটা দেখার বিষয়


আর্জেন্টিনাঃ


দুইবার চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা আলেসান্দ্র সাবেলার অধীনে মেসির নেতৃত্বে এই বার ফিফায় অংশ নিতে যাচ্ছে। মেসি, ডি মারিয়া, আগুয়েরো হিগুয়েন কে বিশ্বের সব থেকে বেষ্ট স্ট্রাইকার হিসেবেই ধরা হয়। আর্জেন্টিনা দলের ফ্যান্টাষ্টিক ফোরও বলা যায় এই চার জন কে। মেসির নেতৃত্বে আর্জেন্টিনা এইবারই প্রথম বিশ্বকাপে অংশ নিতে যাচ্ছে। আর্জেন্টিনার ডিফেন্স আগের মত এখন আর দূর্বল নেই, সাবেলা গেরে ও ফেডেরিকো নামে এক স্তম্ভ দাড় করিয়েছে আর্জেন্টিনার ক্ষনাভাগের জন্য।


 

Lionel Messi (superstar of Argentina)in action.

Image: Christopher Johnson Flickr, Wikipedia


স্পেনঃ


গত ফিফার চ্যাম্পিয়ন স্পেন। বল নিয়েই দৌড়ানো যে খেলা নয়, সেটা তাদের খেলায় স্পষ্টভাবে ফুটে উঠে। অত্যন্ত সুনিপুণ কৌশল, সুদক্ষ বল ক্রসিং, ব্যাক পাসিং তাদের কাছেই শোভা পায়। গত বিশ্বকাপেই দেখা গেছে গোল তারা খুব একটা করে নি, কিন্তু বিপক্ষ দল তাদের প্রতিরক্ষন ভাগ ভেঙ্গেও গোল করতে পারেনি। জাবি, ইনিয়েস্তা, র‌্যামোস, ভিয়া ও গোলরক্ষক ইয়াক্ ক্যাসিয়াস কে নিয়ে গড়া শক্তিশালী স্পেন দল তাদের ট্রফি নিশ্চয়ই অন্যের হাতে তুলে দিতে চাইবে না


জার্মানিঃ


গতি, কাউন্টার এটাক জার্মানির থেকে ভালভাবে মনে হয়না কেউ উপস্থাপন করতে পারবে। তিনবারের চ্যাম্পিয়ন জার্মানিকে হারানো কেবল কঠিন না বলে একরকম অসম্ভব বললেও ভুল হবে না। মুলার, ওঝিল, ল্যাম, ক্লোস, খেদারা- দেরকে সঙ্গী করে জার্মানি দল বেশ মজবুত। তাদের সুদৃঢ়  রক্ষনভাগ ভেঙ্গে বিপরীত দলের  পক্ষে  গোল করাটা বেশ কঠিন হবে। আর তার সাথে আবার যোগ হয়েছে বিশ্বের সবথেকে ভাল কিপারের তালিকায় থাকা নিউয়ার। মোট কথা ডিফেন্স, দ্রতগতি সম্পন্ন মিডফিল্ডার, গোলরক্ষক নিয়ে জার্মানিকে একটি পরিপূর্ন দল বলা যাবে।


ইতালিঃ


যদি সবকিছু ঠিক থাকে তাহলে দুবারের চ্যাম্পিয়ন ইতালিও এবারের চ্যাম্পিয়ন হবার দৌড়ে থাকার যোগ্যতা রাখে। বালতিল্লি ও রসির জোড়া অসাধারন, আবার রসি ও মন্টলিভোকে নিয়ে এরকমই এক অসাধারন মিডফিল্ড তৈ্রি করা হয়েছে। তাদের রক্ষনভাগ ও বেশ শক্তিশালী। আর গোলরক্ষক বাফুন কে বিশ্বের এক নম্বর গোলরক্ষক হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যখন সে নিজের দেশের হয়ে খেলে। কাজেই স্বপ্ন পূরন তাদের জন্য অসম্ভব নয়।

 

নেদারল্যান্ডসঃ


গত বারের রানার্স-আপ নেদারল্যান্ড অবশ্যই তাদের ভুল দ্বিতীবারের জন্য করতে চাইবে না। তবে তাদের প্রথম রাউন্ড বেশ কঠিন বলা চলে। গতবারের চ্যাম্পিয়ন স্পেন, চিলি ও অস্ট্রেলিয়া কে সাথে নিয়ে গ্রুপটাকে “ডেঞ্জার গ্রুপ” বলা যায়। তাদের মিডফিল্ডার ও স্নাইডার, ভান পারসিকে নিয়ে মিডলে আক্রমন অসাধারন। আর স্ট্রাইকার আরজেন রবেন এর কথা ভুলে গেলে তো চলবেই না, নেদারল্যান্ড এ আছে বিশ্বে অন্যত বেষ্ট স্ট্রাইকার আরজেন রবেন। নেদারল্যান্ড এর আরও রয়েছে বিশ্বমানের খেলোয়ার স্নাইডার এবং রবিন ভান পারসি। তাদের গত বিশ্বকাপ এ চ্যাম্পিয়ন হতে না পারার ব্যারথতা এবার কি সাফল্লের রূপ এনে দেবে? তাদের এ স্বপ্ন  পূরন করতে চাওয়াটাই অত্যন্ত স্বাভাবিক।

 

পর্তুগালঃ


চ্যাম্পিয়ন হবার স্বপ্ন দেখছে, এ দলে পর্তুগালও কম যায় না। আগের থেকে পর্তুগাল অনেক গোছানো ও শক্তিশালী হয়েছে। আর বিশেষ করে রোনাল্ডো পায়ে জাদু পর্তুগালকে এনে দিতে পারে বিশ্বকাপের স্বাদ। পর্তুগালের মূল রক্ষন ভাগ যদি আলভেস, পেপের সাথে মানিয়ে অন্যান্য দলের আক্রমন ভাগের বিরূদ্ধে দাড়াতে পারে আর রোনাল্ডো যদি তার বেষ্ট দেখাতে পারে তাহলে নিঃসন্দেহে  বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হবার দৌড়ে তারাও টিকে থাকবে।


Christiano Ronaldo (superstar of Portugal) in action.

 Uploaded by Arvedui89, Wikimedia Commons

আগামী এক মাস আমরা সবাই অধীর অপেক্ষায় বসে থাকবো এবং নানা রকম জল্পনা কল্পনা করবো – এ ছাড়া আর উপায় কি?

-----------


TOP CONTENDERS FOR THE 2014 WORLD CUP BRAZIL 2014


By Shabab Quaderi


BRAZIL



Of course, the hosts are the favourites to win the tournament. In their own home conditions, they are most comfortable to play the unique style of football they are so famous for. The man to look out for this World Cup, is Brazilian striker, Neymar Jr. already scoring 31 times in 48 appearances for his country. With many capable midfielders who are adept in creating chances, Chelsea trio, Oscar, Willian and Ramires will be there to provide Neymar the ball. Their defense is not bad either, with Thiago Silva and Dani Alves at the back, two of the best defenders in the world, being there to keep the attackers out.


ARGENTINA



With every World Cup being held in South America being won by a South American team, if Brazil do not take the trophy home, most likely, the Argentineans will be the one to do so, with three of the best attackers in the game, Messi, Aguero and Higuain, they will be the most attacking team this tournament, however with not many big players in the rest of the team, they will be looking to Angel Di Maria, who is coming off a win in the Champions trophy final to provide the vital assists and Manchester duo Zabaleta and Demichelis to take the defensive roles of the team.


SPAIN



The defending champions of the World Cup, will try to keep it in their hands, comprehensively being the best team in the 2010 World Cup in South Africa whilst having 6 players in the all-star team at the end of the tournament, 5 of which are still playing, the Spanish will look for a repeat performance. Having one of the best midfield in the world with Barcelona trio, Iniesta, Xavi and Fabregas, there will be many opportunities to take the ball into the attacking half with the new man up front Diego Costa having an excellent season at Atletico Madrid being more than capable to score the goals that are required.


GERMANY



The Germans have what is undoubtedly one of the most experienced and talented squads and this experience will be needed to secure the trophy. Miroslav Klose who has 14 goals in all World Cups, will be looking to break Brazilian Ronaldo’s record of 15 goals. Playing in his 4th world cup, he will have great support to lend him a hand with the likes of Podolski, Muller, Gotze, Schweinsteiger, and Ozil. Goalkeeper Manuel Neuer currently known all over the world as one of the best goalkeepers, if not the best, will be instrumental in not allowing the ball to pass him. Even without Reus, the Germans are very scary.


BELGIUM

Flag of Belgium.svg

Known as the dark horses, the Belgians will be the on the lookout to make major upsets this edition. Cruising into the World Cup, being undefeated in the qualifiers, the Belgium squad has major talent in their squad. Goalkeeper Thibaut Courtois, very quickly becoming one of the best goalkeepers in the world keeping the most clean sheets 2 years in a row in La Liga while facing the likes of Messi, Neymar and Ronaldo will be on a mission to keep many more. The midfield is very talented with Hazard, Chadli and De Bruyne having excellent abilities to put the ball in the attacking penalty box where Mirallas and Lukaku can send the ball in goal.

llllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllll





BANGLADESH VS INDIA 3 MATCH ODI SERIES STARTS ON JUNE 15

PLACE: BANGLADESH

মোঃ মোস্তাকিম বিল্লাহ অর্নব

Team member - Career Design. Location: Mymensingh, Bangladesh

8 June 2014

অবশেষে বাংলাদেশ বনাম ভারতের একদিনের(ODI) ম্যাচের সিরিজ অনুষ্ঠিত  হতে যাচ্ছে। শেষ বাংলাদেশ ভারতের মধ্যে সিরিজ অনুষ্ঠিত হয় ২০১০ সালের জানুয়ারী মাসে, বাংলাদেশের মাটিতে। শেষ সিরিজে টাইগাররা ভারতের কাছে হেরেছিল তিনটি ম্যাচেই। তবে তখনকার বাংলাদেশ আর এখনকার বাংলাদেশের মাঝে অনেক তফা। এখনকার তারুন্য নির্ভর বাংলাদেশে, আর তরুনদের সাথে সাথে রয়েছে সাকিব, তামিম, রাজ্জাক, মুশফিক, মাশরাফির-দের মত খেলোয়ারদের অভিজ্ঞতার ঝুলি।

অন্যদিকে বরাবর শক্তিশালী ভারত অনেকেটা নয় প্রায় সম্পূর্ন তারুন্যময় দলকেই পাঠাচ্ছে। যেখানে ধোনির নেতৃ্ত্বে ভারত বধ করেছে অন্যান্য দেশগুলোকে, সেখানে ধোনি-তো আসছেনই না, সাথে বিরাট কোহলি, যুবরাজ সিং, অশ্বিন, যাদেজা, রোহিত শর্মা, শিখর ধাওয়ান, ভুবেনশ্বর কুমার - দের মত শক্তিশালী খেলোয়ারের কেউ-ই আসছে না। অধিকাংশ খেলোয়ার আইপিএল (IPL) থেকে উদীয়মান। ধোনির পরিবর্তে ভারতের নেতৃ্ত্ব দিবে সুরেশ রায়না। ভারতের ১৫ জন সদস্যের দল:

সুরেশ রায়না(অধিনায়ক), কেদার যাদব, পারভেজ রাসুল, চেতশ্বর পূজারা, আম্বাটি রায়দু, মোহিত শর্মা, রবিন উত্থাপা, উমেশ ইয়াদভ, স্টুয়ার্ট বিনি,  আমিত মিশরা, আকসার পাটেল, আজিনকা রাহানি, রিদ্দিমান সাহা, মানয তিওয়ারি, বিনয় কুমার।

ভারতের এই ১৫ সদস্যের দলের তালিকা বাংলাদেশের অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম মোটও ভালোভাবে নেয়নি। তার ভাষ্যমতে, ভারতে এমন দূর্বল দল তিনি মোটেও আশা করেনি। তবে দল যেমনই হোক টাইগাররা তাদের সর্বস্ব দিয়ে দেবে প্রতিটি ম্যাচে, এমনটাই অঙ্গীকার ও আমদের সকলের চাওয়া। বাংলাদেশের ১৫ সদস্যের খেলোয়ররা হলঃ

মুশফিকুর রহিম(অধিনায়ক), তামিম ইকবাল, এনামুল হক, শামসুর রহমান, মোমিনুল হক, সাকিব আল হাসান, নাসির হোসেন, মাহামুদুল্লাহ, মিথুন আলি, আব্দুর রাজ্জাক, মাশরাফি মোর্তজা, সোহাগ গাজী, জিয়াউর রহমান, আল আমিন হোসেন এবং তাসকিন আহমেদ।


lllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllll
Published: Friday, June 6, 2014, 11:18 [IST] 

Bangladesh name uncapped Mithun Ali for India ODIs 

June 6: Bangladesh have named uncapped wicketkeeper-batsman Mohammad Mithun Ali and pacer Taskin Ahmed in their 15-member squad to be led by Mushfiqur Rahim for three One-day Internationals against India, starting in Dhaka on June 15. 

Mithun, 24, made his Twenty20 debut against Sri Lanka at Chittagong in February, but was not selected for the subsequent Asia Cup and the World T20 tournaments. Spotted as one of the quickest bowlers in Bangladesh, Taskin, 19, made his T20 debut against Australia in the World Cup. The youngster had made heads turn when he had clean bowled Glenn Maxwell for 5. 

Meanwhile, Bangladesh's highest wicket-taker in 2013-14 domestic season, medium-pacer Rubel Hossian has been left out of the squad with bowling all-rounder Ziaur Rahman given preference. Imrul Kayes, Arafat Sunny, Naeem Islam and Shafiul Islam, who were part of the Asia Cup ODI squad, have also been excluded, while Tamim Iqbal returned to the squad after missing the five-nation tournament due to a neck injury. 

Chief selector Faruque Ahmed said Mithun and Taskin had been included to test Bangladesh`s bench strength ahead of the 2015 World Cup. "We have kept more or less a settled squad but it is also important to get an idea about the kind of back up we have in our hands as we start preparing for the World Cup in Australia and New Zealand," Faruque said. "Mithun (Ali) has been under our radar for a while. He has performed consistently in the limited overs format and in the longer version as well during the last couple of years and deserves a chance at international level. "Taskin (Ahmed) is an exciting prospect and has already played a Twenty20 international. We thought it was a good opportunity to see how he performs in the 50-over game in home conditions against some quality batsmen," Faruque insisted. He also explained that the omission of Rubel and justified the selection of medium pacer Al-Amin Hossain and off-spinning all-rounder Mahmudullah. "Al Amin has bowled impressively since his debut and Mashrafe Mortaza is our most experienced campaigner. We also have a seam-bowling all-rounder in Ziaur Rahman. Because of these pace options and squad balance Rubel Hossain misses out. 

The spin department is well covered with Abdur Razzak, Shakib Al Hasan and Sohag Gazi. Mahmudullah is also quite handy and can do a job for his captain," said Faruque. 

Squad: Mushfiqur Rahim (captain), Tamim Iqbal, Anamul Haque, Shamsur Rahman, Mominul Haque, Shakib Al Hasan, Nasir Hossain, Mahmudullah, Mithun Ali, Abdur Razzak, Mashrafe Mortaza, Sohag Gazi, Ziaur Rahman, Al-Amin Hossain, Taskin Ahmed. Schedule: 1st ODI: June 15; 2nd ODI: June 17; 3rd ODI: June 19 PTI 

SOURCE: www.thatscricket.com          REPRINTED WITH PERMISSION.

thatscricket



                                                                                                                                                        

BANGLADESH PREMIER LEAGUE BPL

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগঃ

মোঃ মোস্তাকিম বিল্লাহ অর্নব

Team member - Career Design. Location: Mymensingh, Bangladesh

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লীগের আদলে তৈরি বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগ। এই বিপিএল থেকেই উঠে এসেছে এনামুল হক বিজয়, মোমিনুল, সামছুর ও তাসকিনের মত খেলোয়ার। নিঃসন্দেহে বোঝা যায়, এ দেশের ক্রিকেট খেলার উন্নয়নে বিপিএল এর ভূমিকা কতটুকু। ২০১২ সালে ফেব্রুয়ারী মাসে ছয় ডিভিশনের ছয়টি দল নিয়ে যাত্রা শুরু করে বিপিএল। ছয়টি দল হল, ঢাকা গ্লাডিয়্যাটর্স, চিটাগং কিংস, দুরন্ত রাজশাহী, সিলেট রয়্যালস, খুলনা রয়্যাল বেঙ্গলস ও বরিশাল বার্নাস। ২০১৩ সালে যুক্ত হয় রংপুর রাইডার্স।

২০১৩ সালে দলগুলোর ক্যাপ্টেন, কোচ ও মালিক যারা ছিল তারা হলঃ

দলের নাম

ক্যাপ্টেন

কোচ

মালিক

দলের মূল্য

( ইউ এস ডলার)মিলিয়ন

১.ঢাকা গ্লাডিয়্যাটর্স

মাশরাফি বিন মর্তুজা

আয়ান পন্ট

ইউরোপা গ্রুপ

৫.০৫

 

২.চিটাগং কিংস

মাহমুদুল্লাহ

খালেদ মাহমুদ

এস কিউ স্পোর্টস

৫.২০

৩.দুরন্ত রাজশাহী

তামিম ইকবাল

খালেদ মাসুদ

ডিজিটাল অটো

কেয়ার

২.০৭

৪.সিলেট রয়্যালস

মুশফিকুর রহিম

স্টুয়ার্ট ল

ওয়াল্টন গ্রুপ

৫.০৬

 

৫.খুলনা রয়্যাল বেঙ্গলস

শাহরিয়ার নাফিস

রবিন সিং

খান ব্রাদার্স

১.১০

৬.বরিশাল বার্নাস

ব্রাড হজ

ছারোয়ার ইমরান

আলিফ গ্রুপ

৩.০১

 

 

 

 

 

 

৭.রংপুর রাইডার্স

আব্দুর রাজ্জাক

সাকলাইন মোস্তাক

আই-স্পোর্টস

৩.০১

 

 

দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে প্রতিভা বের করার ক্ষেত্রে, দেশের

ক্রিকেটের উন্নয়নের জন্য বিপিএল অসাধারন ভূমিকা রেখেছে।

বিপিএলের সাথে ন্যাশনাল ক্রিকেট লীগও যথেষ্ঠ ভূমিকা রাখছে, বের

করে এনেছে অসংখ্য খেলোয়ার। বিপিএলের যাত্রা মাত্র দুই বছরের,

আর ন্যাশনাল ক্রিকেট লীগ (এনসিএল) এর যাত্রা সেই ২০০০ সাল

থেকে। তবে বিপিএল হল মিলিয়ন ডলারের আসর, তাই এর কদর

বেশি হবে, এটাই স্বাভাবিক। তবে বিপিএলের দুই আসরেই রয়েছে

মালিক পক্ষের তাদের খেলোয়ারদের ন্যায্য মুল্য না দেবার অভিযোগ।

বিশেষ করে লোকাল খেলোয়ার এই পরিস্থিতির স্বীকার। তবে শুধু

লোকাল নয় অন্যান্য দেশের খেলোয়ারও এর স্বীকার। ফেব্রুয়ারী ২৮

তারিখের রিপোর্ট অনুযায়ী ২০১৩ আসরে রায়্যান টেন ডাচচ্যাট,

কেবিন কুপার, ব্রেন্ডন টেলর, রবি বোপারা ও জেসন রয় চিটাগং

কিংস-এর কাছে টাকা পায়। এই আসরেই বাংলাদেশ ক্রিকেট আঙ্গনে

লিখা হয় কলঙ্কের ছাপ, আনা হয় ম্যাচ ফিক্সিং-এর অভিযোগ। ঢাকা

গ্লাডিয়্যাটর্স-এর আশরাফুল ম্যাচ ফিক্সিং এর দায়ে বর্তমানে সকল

ধরনের ক্রিকেট থেকে বহিঃস্কৃত। তবে আসলে তার শাস্তি কি হবে

সেটা এখনো জানা যায়নি। ম্যাচ ফিক্সিং, খেলোয়ারদের সঠিক সময়ে

তাদের ন্যায্য মূল্য না দেয়া, সবকিছু মিলিয়ে বিপিএল আনেকটা

অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল। তবে সব জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড নভেম্বর ২০১৪ ও জানুয়ারী ২০১৫ এর মধ্যে

যেকোন সময় বিপিএল আয়োজন করার সিদ্ধান্ত নেয়।  

llllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllllll


Forbes' highest paid athletes list: MS Dhoni lone Indian
Published: Thursday, June 12, 2014, 13:40 [IST]

New York, June 12: Indian captain Mahendra Singh Dhoni is the lone Indian sportsman to figure on Forbes' list of world's 100 highest paid athletes. The is being been topped by American boxer Floyd Mayweather and includes golfer Tiger Woods and tennis stars Roger Federer and Rafael Nadal.

Dhoni in highest paid athletes list

Dhoni is ranked 22nd on the list with total earnings of USD 30 million and endorsements worth USD 26 million. His salary and winnings total USD four million as of June 2014, Forbes said. "Dhoni cemented his legacy as one of India's best captains of all time when he led the Indian national team to victory in the 2013 ICC Champions Trophy and became the first national captain to ever win all three ICC trophies," the publication said. 

Dhoni signed bat sponsorship deals with leading brands like Spartan Sports and Amity University in late 2013 reportedly worth a combined USD four million annually, up from the USD one million Reebok was paying previously, it added. The earning figures include salaries, bonuses, prize money, appearance fees, as well as licensing and endorsement income paid out during the last 12 months between June 2013 and June 2014. Mayweather earned USD 105 million during the past year for 72 minutes of work in the ring for fights against Canelo Alvarez and Marcos Maidana. 

The payday puts Mayweather at the top of Forbes' annual list of the world`s highest-paid athletes for the second time in three years. Mayweather is the first athlete, besides Woods, to crack the USD 100 million earnings threshold. 

Real Madrid and star Portugal footballer Cristiano Ronaldo leads a group of 15 soccer players in the top 100. Ronaldo ranks second overall with total earnings of USD 80 million. 

American basketball player LeBron James ranks third with earnings of USD 72.3 million, followed by Argentine footballer Lionel Messi who ranks fourth at USD 64.7 million. 

Woods is ranked sixth on the list with earnings of USD 61.2 million. Forbes said Woods' golf course-design business has picked up after multiple blowups. Developers plan to open a new course in Cabo San Lucas, Mexico this year which will be the first completed Woods-designed course. 

Federer, who holds the record for most singles Grand Slam wins (17) and career prize money (USD 81 million) is ranked seventh on the list with earnings of USD 56.2 million. "Federer continues to be among the world's best players 16 years after he turned pro. His sponsors collectively pay him more than USD 40 million annually," Forbes said. Nadal is ranked ninth on the list with earnings of USD 44.5 million. The list also includes tennis player Novak Djokovic on the 17th rank with earnings of USD 33.1 million, tennis star Maria Sharapova (34), Jamaican runner Usain Bolt (45), tennis player Serena Williams (55) and German Formula One racing driver Sebastian Vettel (83). 

PTI

SOURCE: www.thatscricket.com          REPRINTED WITH PERMISSION.

thatscricket





ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লীগঃ

মোঃ মোস্তাকিম বিল্লাহ অর্নব

Team member - Career Design. Location: MymensinghBangladesh

Date: 1 June 2014

আহহুম!!!আবার কলকাতা…২০১২ সালের আইপিএল এর চ্যাম্পিয়ন কলকাতা নাইট রাইডার্স ২০১৪ সালের এসে আবার তাদের মুকুট জ়য় করলো। উত্তেজনা,উন্মাদনায় ভরপুর ছিল ম্যাচটি। একদিকে

বোলিং নির্ভ্র কলকাতা নাইট রাইডার্স বিপরীত দিকে ব্যাটিং নির্ভ্র 

কিংস এলিভেন পাঞ্জাব। তবে ফাইনাল বলে কথা, কোন দল কি আর চাইবে সহজেই ম্যাচ অন্যের করে দিতে। তাইতো দুদলের বোলিং

ব্যাটিং দুই ক্ষেত্রেই দেখিয়েছে সমান নৈপুন্য। ইনিংস এর শুরুতে টস

জিতে কলকাতা নাইট রাইডার্স ব্যাটিং করতে আমন্ত্রন জানায় কিংস 

এলিভেন পাঞ্জাবকে। কিংস এলিভেন পাঞ্জাব শুরুতে শেবাগ ও

বেইলির উইকেট হারিয়ে চাপে পড়লেও ভোহরার ৬৭ রান ও রিদ্দিমান

সাহার ৫৫ বলে ১০টি চার ও ৮টি ছয়ে ১১৫ রানের অসাধারন

ব্যাটিংএ ভর করে ২০ ওভারে ৪ উইকেট এর বিনিময়ে করে ১৯৯

রান। 

কলকাতা নাইট রাইডার্সকে ছুড়ে দেয় ২০০ রানের টার্গেট। ম্যাক্সওয়েল এর প্রতি অনেকে আশা থাকলেও পাঞ্জাবকে হতাশ করে

১ বলে ০ রান করে ফিরে যায় ম্যাক্সওয়েল। জবাবে ব্যাটিং করতে

নেমেই দলীয় ৬ রানের মাথায় পাওয়ার প্লে-তে এই সেশনে সব থেকে

রানের অধিকারী উত্থাপাকে হারিয়ে বেশ চাপে পড়ে কলকাতা নাইট রাইডার্স। পরে ক্যাপ্টিন গম্ভীসামান্য হাল ধরলেও ১৭ বলে ২৩ রান

করে ফিরে যায় সাজ ঘরে। কিন্তু অপর প্রান্তে আগলিয়ে রাখে মানিস

পান্ডে। ৫০ বলে ৭ চার ও ৬টি ছয় মেরে ৯৪ রানে আউট হয় মানিস 

পান্ডে, দলীয় রান তখন ১৭৯। আউট হলেও দলকে রেখে যান জয়ের

দ্বার প্রান্তে। কলকাতার তখন প্রয়োজন ১৮ বলে মাত্র ২১ রান আর

পাঞ্জাবের দরকার ৪ উইকেট। দলীয় রান ১৮৭ হতেই আউট হয়ে যায়

ইয়াদাব। জয়ের দিকে একধাপ এগিয়ে যায় পাঞ্জাব, কলকাতার 

প্রয়োজন ১০ বলে ১৩ রান। সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে পিয়ুশ

চাওলার এক ছয় ও এক চারের বিনিময়ে হাতে ৩ বল বাকি থাকতেই

৭ উইকেটের বিনিময়ে কলকাতা নাইট রাইডার্স পৌছে যায় ২০০

রানের কঠিন টার্গেটে। ম্যাচ সেরা হয় মানিস পান্ডে। ২০১২ সালের 

পর ২০১৪ সালের আইপিএল জয় পেয়ে দ্বিতীয় বারের মত চ্যাম্পিয়ন

হয় শাহরুখ খানের কলকাতা নাইট রাইডার্স।


বিস্তারিত রিপোর্ট

FULL REPORT ON IPL 

২০১৪ সালের ৭ম সেশনের আইপিএল আসর ভালোভাবেই শেষ হয়েছে। শ্রীনিবাসের পর সুনীল গাবাস্কারের অধীনে এটাই প্রথম আইপিএলের আসর অনুষ্ঠিত হয়। ভারতের লোক-সভা নির্বাচনের কারনে এবারের আইপিএল-এর প্রথম ২০টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয় সংযুক্ত আরব আমিরাত এ (UAE)। বাকি ম্যাচগুলো ২মে থেকে অনুষ্ঠিত হয় ভারতে।

এবারের আসরের প্রত্যেকটি ম্যাচ যেমন ছিল রোমাঞ্চকর, ঠিক

তেমনি ছিল নাটকীয়তাময়। মোট আটটি দল নিয়ে শুরু হয় এবারের

আসর। দলগুলো হল, চেন্নাই সুপার কিংস, ডিল্লি ডেয়ার ডেবিলস,

কিংস এলিবেন পাঞ্জাব, মুম্বাই ইন্ডিয়ন, কলকাটা নাইট রাইডার্স,

রাজস্থান রয়্যালস, রয়াল চ্যালেঞ্জস ব্যাঙ্গালুরু ও সান-রাইসার্স

হাইদারাবাদ। বিগত আইপিএলের আসর থেকে এবারের আসরে

প্রত্যেকদল ছিল যথেষ্ট শক্ত-সামর্থ্য।

তবে ম্যাচে জয় পেতে হলে শুধু দল শক্তিশালীই নয়, থাকতে হয় শক্ত টিম ম্যানেজম্যান্ট, ক্যাপ্টেন এর সাথে অন্যান্য খেলোয়ারের ভাল বোঝাপড়া, কখন কোন বোলারকে দিয়ে বল করাতে হবে, কোন ব্যাটসম্যান এর ব্যাটিং এর সময় ফিল্ডিং কিভাবে সাজাতে হবে- সেসব কিছুর যথাপোযুক্ত ব্যাবহার করা। আর এসব কিছু সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারলেই জয় পাওয়া যায় যেকোন কঠিন ম্যাচেও। আর সেজন্যই হয়তোবা সান-রাইসার্স হাইদারাবাদ, রাজস্থান রয়্যালস, ডিল্লি ডেয়ার ডেবিলস ও রয়াল চ্যালেঞ্জস ব্যাঙ্গালুরু-দের মত শক্ত দলগুলোকে বিদায় নিতে হয় কোয়ালিফায়ার ম্যাচের পূর্বেই। এ আসরের ৬০ টি ম্যাচ-ই ছিল অত্যন্ত রোমাঞ্চকর, নাটকীয়তার ভরপুর। তার মাঝে কয়েকটি ম্যাচ ভুলে যাবার নয়। তার মাঝে উল্লেখযোগ্য ছিল কলকাটা নাইট রাইডার্স বনাম রাজস্থান রয়্যালস, কলকাটা নাইট রাইডার্স বনাম সান-রাইসার্স হাইদারাবাদ ও মুম্বাই ইন্ডিয়নস বনাম রাজস্থান রয়্যালস এর ম্যাচ।


কলকাটা নাইট রাইডার্স বনাম রাজস্থান রয়্যালস এর ম্যাচে ড্র হবার

কারনে হয় সুপার ওভার। কলকাতার ১২ রানের টার্গেট তাড়া করতে

নেমে রাজস্থান করে ১১ রান, অর্থাৎ ম্যাচটি হয় আবার ড্র। কিন্তু

ইনিংস এ সবথেকে বেশি বাউন্ডারী মারার সুবাদে জয় পেয়ে যায়

রাজস্থান রয়্যালস।


কোয়ালিফায়ার হয়ে যাওয়া কলকাটা নাইট রাইডার্স বনাম

সান-রাইসার্স হাইদারাবাদ ম্যাচে হায়দারাবাদ এর কোন চান্স না

থাকলেও কলকাতা হাতে ছিল এক অসম্ভব স্বপ্নের হাতছানি। 

হায়দারাবাদ প্রথমে ব্যাট করে কলকাতাকে দেয় ১৬০ রানের টার্গেট।

আর র‌্যাঙ্কিং এ চার নম্বরে থাকা কলকাতার র‌্যাঙ্কিং এ ২ নম্বরে উঠতে

হলে ১৪.২ ওভারে টার্গেটে পৌছানো দরকার ছিল। ইউসুফ পাঠানের

৩৫ বলে ৭২ রানের উপর ভর করে কলকাতা পেয়ে যায় জয়ের

হাতছানি, আর চেন্নাই কে ছাড়িয়ে উঠে যায় র‌্যাঙ্কিং এর ২ নম্বর অবস্থানে।


অন্যদিকে কোয়ালিফায়ার হবার অন্যতম ম্যাচে মুম্বাই ইন্ডিয়নস বনাম রাজস্থান রয়্যালস এর মধ্যে মুম্বাই এর উঠার চান্স ছিল না বললেই বলা চলে। রাজস্থানে দেয়া ১৯০ রানের টার্গেট তাড়া করতে নামা মুম্বাইকে কোয়ালিফায়ার হতে হলে শুধু জয় নয় দরকার ছিল সেই টার্গেট ১৪ ওভার ৩ বলে পূরন করা। আর এটা করা যে সম্ভব, অসম্ভব নয় মুম্বাই হারেহারে সেটা রাজস্থানকে বুঝিয়ে দিয়েছে। এ আসরে অধিকাংশ ম্যাচে কোর এন্ডারসন না খেলতে পারলেও সঠিক সময়ে ঠিকই দলের জন্য জ্বলে উঠে। তার ৯৫ রানের উপর ভর করে মুম্বাই জয়ের দ্বারপ্রান্তে পৌছে যায় ঠিকই, কিন্তু ১৪ ওভার ৩ বলে করে ১৮৯ রান অর্থাৎ ম্যাচ তখন ড্র বলা চলে, এমন অবস্থায় শীর্ষ চারে উঠতে হলে পরের বলটিতে মুম্বাইকে মারতে হয় ৪ অথবা ৬ এবং আদিত্য তারে ফ্লকনারের লো-ফুলটাস বলে ৬ মেরে মুম্বাইয়ের কোয়ালিফায়ার হবার স্বপ্ন পূরন করে।


প্রথম কোয়ালিফায়ার ম্যাচে পাঞ্জাবকে ১৬৩ রানের টার্গেট দেয়

কলকাতা। ম্যাক্সওয়েল, মিলার, বেইলি, শেবাগের জন্য রানটা অনেক

বেশি ছিল না, কিন্তু এ সহজ টার্গেট তাড়া করতে নেমে ২০ 

ওভারে ৮ উইকেট এর বিনিময়ে ১৩৫ রান করে ২৮ রানের হার হয়

পাঞ্জাবের। দ্বিতীয়বারের মত ফাইনালে উঠে কলকাতা।


ইলিমিনিট্র ম্যাচে চেন্নাই মুম্বাইকে হারিয়ে কোয়ালিফায়ার ম্যাচে উঠে, কোয়ালিফায়ার ম্যাচে চেন্নাই ও পাঞ্জাবের খেলা ছিল দেখার মত। পাঞ্জাবের ২২৬ রানের বিশাল রানের তাড়া করতে নেমে চেন্নাই এর প্রথম দিকে কোন অসুবিধাই হয়নি। আইপিএলের ইতিহাসে প্রথমবারের মত মাত্র ৬ ওভারে ১০০ রান তুলে রেকর্ড করে চেন্নাই। আর এই রেকর্ড করতে সাহায্য করে সুরেশ রায়না, যে নিজেও অনন্য আর এক রেকর্ড এর স্বপ্ন দেখাচ্ছিলেন হয়তোবা, আইপিএলে সবথেকে কম বলে সেঞ্চুরীর স্বপ্ন। মাত্র ২৫ বলে ৮৫ রান করে আউট হয়ে যায় সুরেশ রায়না, ভেঙ্গে যায় সেই স্বপ্ন। তার স্ট্রাইক রেট ছিল ৩৪৮। তার আউট হয়ে যাবার পর ধোনি ছাড়া দাড়াতে পারেনি আর কেউ। ২০ ওভারে ২০২ রান করে চেন্নাই, ফলে ২৫ রানের জয় পায় পাঞ্জাব ও প্রথম বারের মত ফাইনাল খেলার সুযোগ পায় প্রীতি জিনতার কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব।


ফাইনালে মুখোমুখি শাহরুখের কলকাটা নাইট রাইডার্স, যাদের লক্ষ্য

২০১২ সালের হারানো ট্রফি উদ্ধার আর এ পর্যন্ত ফাইনাল খেলতে না

পারা প্রীতি জিনতার কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব এর লক্ষ্য প্রথমবারের মত

চ্যাম্পিয়ন হওয়া। ফাইনাল ম্যাচ, আর তাতে থাকবে না রোমাঞ্চ,

উত্তেজনা, উন্মাদনা, সেটা কি হয়! টস এ জিতে কলকাতা ব্যাটিং এ

আমন্ত্রন জানায় পাঞ্জাবকে। কিংস এলিভেন পাঞ্জাব শুরুতে শেবাগ ও

বেইলির উইকেট হারিয়ে চাপে পড়লেও ভোহরার ৬৭ রান ও 

রিদ্দিমান সাহার ৫৫ বলে ১০টি চার ও ৮টি ছয়ে ১১৫ রানের

অসাধারন ব্যাটিং এ ভর করে ২০ ওভারে ৪ উইকেট এর বিনিময়ে করে ১৯৯ রান। কলকাতা নাইট রাইডার্সকে ছুড়ে দেয় ২০০ রানের টার্গেট। জবাবে ব্যাটিং করতে নেমেই দলীয় ৬ রানের মাথায় পাওয়ার প্লে-তে এই সেশনে সব থেকে রানের অধিকারী উত্থাপাকে হারিয়ে বেশ চাপে পড়ে কলকাতা নাইট রাইডার্স। পরে ক্যাপ্টিন গম্ভীর সামান্য হাল ধরলেও ১৭ বলে ২৩ রান করে ফিরে যায় সাজ ঘরে। কিন্তু অপর প্রান্তে আগলিয়ে রাখে মানিস পান্ডে। ৫০ বলে ৭ চার ও ৬টি ছয় মেরে ৯৪ রানে আউট হয় মানিস পান্ডে, দলীয় রান তখন ১৭৯। আউট হলেও দলকে রেখে যান জয়ের দ্বার প্রান্তে। কলকাতার তখন প্রয়োজন ১৮ বলে মাত্র ২১ রান আর পাঞ্জাবের দরকার ৪ উইকেট। দলীয় রান ১৮৭ হতেই আউট হয়ে যায় ইয়াদাব। জয়ের দিকে একধাপ এগিয়ে যায় পাঞ্জাব, কলকাতার প্রয়োজন ১০ বলে ১৩ রান। সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে পিয়ুশ চাওলার এক ছয় ও এক চারের বিনিময়ে হাতে ৩ বল বাকি থাকতেই ৭ উইকেটের বিনিময়ে কলকাতা নাইট রাইডার্স পৌছে যায় ২০০ রানের কঠিন টার্গেটে। দ্বিতীয়বারের মত আইপিএল আসরে চ্যাম্পিয়ন হয় কলকাটা নাইট রাইডার্স। ম্যাচ সেরা হয় মানিস পান্ডে।

২০১৪ আসরে হয়েছে ছয় চারের ফুলঝরি। গত সেশন অর্থাৎ ২০১৩ সালে মোট ছয় হয়েছিল ৬৭৪টি। আর এবারের আসরে ছ্য় হয়েছে ৭১৪টি ও চার ১৫৬২টি। ব্যক্তিগতভাবে সবথেকে বেশি ছয় মেরেছে পাঞ্জাবের ম্যাক্সওয়েল, মোট ৩৬ টি, তারপরেই দ্বিতীয় তালিকায় আছে চেন্নাই এর ডুয়ান স্মিথ মোট ৩৪ টি ছয় মেরে।

২০১৪ সালের আইপিএল আসরে সবথেকে ভাল করা অবদান রাখা ব্যাটসম্যান, বোলার-এর মধ্যে প্রথম দশজনের তালিকা হলঃ

ব্যাটসম্যানঃ

 

নাম

দল

ম্যাচ

মোট রান

সর্বোচ্চ রান

চার

ছয়

রবিন উথাপ্পা

কলকাতা নাইট রাইডার্স

১৬

৬৬০

৮৩*

৭৪

১৮

ডুয়্যান স্মিথ

চেন্নাই সুপার কিংস

১৬

৫৬৬

৭৯

৫০

৩৪

ম্যাক্সওয়েল

কিংস ইলেবেন পাঞ্জাব

১৬

৫৫২

৯৫

৪৮

৩৬

ডেবিড ওয়ার্নার

সানরাইসার্স হায়দারাবাদ

১৪

৫২৮

৯০

৩৯

২৪

সুরেশ রায়না

চেন্নাই সুপার কিংস

১৬

৫২৩

৮৭

৫১

১৯

বিরেন্দ্র শেবাগ

কিংস ইলেবেন পাঞ্জাব

১৭

৪৫৫

১২২

৫৬

১৮

মিলার

কিংস ইলেবেন পাঞ্জাব

১৬

৪৪৬

৬৬

৩৪

২১

ডুমেনি

দিল্লি ডেয়ার ডেবিলস

১৪

৪১০

৬৭*

২২

২০

ম্যাককুলাম

চেন্নাই সুপার কিংস

১৪

৪০৫

৭১*

৩২

১৯

১০

মানিশ পান্ডে

কলকাতা নাইট রাইডার্স

১৬

৪০১

৯৪

৩৫

১০

 

বোলারঃ

 

নাম

দল

ম্যাচ

বেষ্ট বোলিং ইনিংস

মোট উইকেট

মোহিত শর্মা

চেন্নাই সুপার কিংস

১৬

৪/১৪

২৩

নারিন

কলকাতা নাইট রাইডার্সচেন্নাই সুপার কিংস

১৬

৪/২০

২১

ভুবেনশ্বর কুমার

সানরাইসার্স হায়দারাবাদ

১৪

৪/১৪

২০

যাদেজা

চেন্নাই সুপার কিংস

১৬

৪/১২

১৯

সান্দিপ

কিংস ইলেবেন পাঞ্জাব

১১

৩/১৫

১৮

আকছার পাটেল

কিংস ইলেবেন পাঞ্জাব

১৭

৩/২৪

১৭

মিশেল জ়নসন

কিংস ইলেবেন পাঞ্জাব

১৪

২/১৯

১৭

মালিঙ্গা

মুম্বাই ইন্ডিয়ান

১০

৪/২৩

১৬

আরুন

রয়্যাল চ্যালেঞ্জস ব্যাঙ্গালুরু

১০

৩/১৬

১৬

১০

 আশ্বিন

চেন্নাই সুপার কিংস

১৬

৩/৩০

১৬

 


আর সবথেকে বেশি ভুমিকা রাখা খেলোয়ারের তালিকায় যারা রয়েছে, তারা হলোঃ

নাম

উইকেটস

ডটস

চার

ছয়

ক্যাচ

স্টাম্পিংস

পয়েন্টস

ডুয়ান স্মিথ

১৫

৫০

৩৪

২৮৫.৫

ম্যাক্সওয়েল

১৪

৪৮

৩৬

২৮৩.৫

রবিন উথাপ্পা

৭৩

১৮

২৬৫.৫

সুরেশ রায়না

৩৪

৫১

১৯

১১

২৫৯

আকছার পাটেল

১৭

১৪৭

২৪০

ভুবেনশ্বর কুমার

২০

১৫২

২২৭

সাকিব আল হাসান

১১

১০৬

২০

২২৬.৫

সুনিল নারিন

২০

১৪৮

২২৩

মিশেল স্টার্ক

১৪

১২৭

২২১

রাবিন্দ্র যাদেজা

১৯

১০২

২১৮.৫

 

২০১৪ সালের আইপিএলে যেসকল খেলোয়ার তাদের অসাধারন খেলার জন্য পুরষ্কৃত হয়েছে তারা হলঃ

সেরা ক্যাচঃ কিরন পোলার্ড

সেরা উদীয়মান খেলোয়ারঃ আকছার পাটেল

সবথেকে বেশি ছয় এর খ্যাতাবঃ গ্লেন ম্যাক্সওয়েল

ফেয়ার-প্লে এওয়ার্ডঃ চেন্নাই সুপার কিংস

ওরেঞ্জ ক্যাপঃ রবিন উত্থাপা

পার্পেল ক্যাপঃ মোহিত শর্মা


IPL's charm diminishes but CSK most searched team

Updated: Wednesday, April 30, 2014, 17:20 [IST]  

New Delhi, Apr 30: It seems election fever and allegations of match-fixing have taken a toll on this year's Indian Premier League (IPL). Google Search trends reveal that this year's IPL is struggling to match up the interest of the previous year. The analysis related to the launch week of the cricketing extravaganza showed that there was a loss of interest among the digital audience, Google said in a statement.


CSK most searched team

Going by the search patterns, IPL 7 doesn't seem to have taken of well compared to IPL 6, which saw search graphs ticking the peak in initial days of the start of the event. 


Google said that in this cricket crazy nation, regional interest for IPL also witnessed significant movement with West Bengal taking the top spot as the state searching the most for Indian Premier League. Karnataka from where the most number of searches emerged during the last season was found trailing on the fifth spot. 


The search trends also revealed that fans are religiously following their teams with Chennai Super Kings taking the top spot followed by Royal Challenger Bangalore (RCB) on second spot. 


Mumbai Indians and Kolkata Knight Riders took the third and fourth spot followed by Kings XI Punjab, Rajasthan Royals, Sunrisers Hyderabad and Delhi Daredevils at the bottom. IANS



PAKISTAN CRICKET NEWS

Abdul Razzaq, Shoaib Malik, Kamran Akmal dropped

Karachi, Apr 30: Senior Pakistan players Abdul Razzaq, Shoaib Malik and Kamran Akmal do not feature in a list of 36 players selected for a month-long training camp to be held at Gaddafi Stadium, Lahore starting May 6. 

The Pakistan Cricket Board (PCB) though has included a number of out-of-favour players like Nasir Jamshed, Yasir Hameed, Imran Farhat, Taufiq Umar, Faisal Iqbal and Muhammad Sami in an effort to build a better team for the 2015 World Cup. 

The new selection committee headed by former skipper Moin Khan and member Muhammad Akram, who is also head coach at the national cricket academy, said at a press conference here that the idea was to test the fitness of these players. 

"Our first priority is to put these players through a 15-days fitness program and give them targets to meet. From now on any player who does not meet our standard fitness requirement will not be considered for selection," Moin said. 

Moin, 42, also said that another camp would be held after the month of Ramazan to test out the junior players. 

"We have some tough series coming up in coming months and the biggest problem confronting the Pakistani players is fitness and improving mental strength. They are not short on natural talent," he said. 

"If our players are 100 percent fit and their bodies can handle the rigours then they will automatically also become mentally stronger. These two things and self belief are required for us if we want to do well in the coming series particularly the World Cup." 

Moin, who is also manager of the national team, said Pakistan can win the World Cup in Australia and New Zealand but first and foremost they need to attain complete fitness and work on mental strength. 

"Without these two assets no team can compete at the top level.

Asked about the absence of Razzaq, Kamran and Malik from the camp he said this didn`t mean they were out of the selector`s plans. "They can go back to domestic cricket and perform. Right now we picked players on basis of recent performances and how they have fared in domestic cricket. We have also recalled some players because we want to see finally where they stand and whether they have in them to serve Pakistan cricket for a few more years," Moin added. 

Muhammad Akram and Moin both said that plans were also being drawn up for the pace bowlers to use them properly at the top level. 

Akram who was until recently bowling coach of the national team also said that they had proposed that if players didn`t meet fitness standards than they would face fines. 

"It is responsibility to work on fitness. Misbah is a great example but players who don`t pay attention to this aspect of their game will be fined because we are going to give specific targets starting from this camp," he said. 

List of probables: Ahmed Shahzad, Nasir Jamshed, Sharjeel Khan, Taufiq Umar, Shan Masood, Imran Farhat, Yasir Hameed, Khurrum Manzoor, Misbah-ul-Haq, Asad Shafiq, Younis Khan, Umar Akmal, Azhar Ali, Faisal Iqbal, Sohaib Maqsood, Haris Sohail, Fawad Alam, Muhammad Hafeez, Shahid Afridi, Anwar Khan, Bilawal Bhatti, Abdul Rehman, Zulfiqar Babar, Reza Hasan, Atif Maqbool, Yasir Shah, Umar Gul, Muhammad Talha, Ehsan Adil, Muhammad Irfan, Wahab Riaz, Rahat Ali, Sohail Tanvir, Muhammad Sami and wicketkeepers Sarfaraz Ahmed and Adnan Akmal. PTI 

SOURCE: www.thatscricket.com          REPRINTED WITH PERMISSION.

thatscricket


affiliate_link

ICC World Cup Twenty20  

Unique warm-up game at Fatullah

Record TV and internet viewers for World T20 in Bangladesh

Published: Wednesday, April 23, 2014, 6:42 [IST]

Mumbai, Apr 23: The ICC World T20 Championship that concluded in Bangladesh earlier this month has emerged as the most watched international T20 tournament ever on TV as well as the digital domain in India.

According to data provided by research agency TAM, the 2014 edition had been seen by a record 13.31 crore individuals across the country which is 23.4 per cent higher than the reach generated in the 2012 edition (In Sri Lanka) and more than 57 per cent if compared with the 2010 edition (in West Indies), a release said yesterday.

Record TV and internet viewers for WT20

When extrapolated to All India level, as per standard industry conversions, around 39 crore Indians watched the championship which was won by Sri Lanka. The video streaming on starsports.Com generated 2.24 crore visits, the release added.

The six matches featuring losing finalists India generated 672861 TVTs (Television Viewership in Thousands) which again is a record for any ICC World T20. The country's matches during the 2012 edition had generated 396801 TVTs.

The TAM data is based on ICC World T20's broadcast on SD channels Star Sports 1 and Star Sports 3 and the traction garnered on Star Sports HD 1 will be in addition to this, the release added.

The video streaming of the tournament on starsports.Com, India's first multi-sports digital service, garnered an unprecedented traction on the digital domain, the release said.

The final between India and Sri Lanka on starsports.Com attracted a record 19.3 lakh unique individuals watching video on the destination, delivering an unprecedented 37.6 lakh visits, it added.

PTI


SOURCE: www.thatscricket.com          REPRINTED WITH PERMISSION.

thatscricket

 হাত বাড়ালেই রূপসজ্জার উপাদান

Sun setting in a hazy smoggy polluted sky with muted blended colours of orange and purple    Harmful acid rain caused when emission compounds combine with the water molecules to form precipitation high in hydrogen, or acid, falling on the canopies of trees

Background of fresh dense green fern leaves or fronds growing in a moist environment   Abandoned truck in an overgrown woodland

লিখেছেনঃ   তাসফি আহমেদ

তথ্য সুত্র: সানন্দা, ক্যানভাস, সাপ্তাহিক ২০০০, উনিশ কুঁড়িমনোজগত


রূপচর্চার ক্ষেত্রে আমরা সবাই যথেষ্ট ৎসাহী এবং সচেতন l বাজারের কেনা প্রোডাক্ট ত্বকে কেমন প্রভাব ফেলবে, তা কতটা উপকারী হবে নিয়ে সব বয়সী নারীর নানা রকম আলোচনা ও বিশ্লেষন।

বিভিন্ন তথ্য সুত্র এবং জীবন অভিজ্ঞতা থেকে যা শিখেছি, তা থেকে বলতে পারি রূপচর্চার অনেকটুকুই ঘরে বসে প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে সেরে নেয়া যায় আপনারা অনেকেই যদিও জানেন, তবুও নতুন করে পুরোনো কিছু জিনিসের পরিচয় করিয়ে দিচ্ছি

মধুঃ

ত্বকের যত্নে মধু ব্যবহার করতে পারেন। মধু খুব ভালো প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার। ত্বকের ময়েশ্চারাইজারের জন্য এক চা চামচ মধুর সঙ্গে দুই চা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে মুখে লাগান। মধু লেবুর এই প্যাক ত্বকের রোদে পোড়া ভাব দূর করে। মুখের বলিরেখা দাগ দূর করতে ময়দা আর মধু পানি দিয়ে মিশিয়ে ভালো করে মুখে লাগান। শুকিয়ে গেলে অল্প পানি দিয়ে ভিজিয়ে ভালো করে কিছুক্ষণ ম্যাসাজ করুন। এরপর ধুয়ে ফেলুন। বাইরের রোদ থেকে ফিরে প্রথমে মুখ ধুয়ে নিন। তারপর মধু আটা দিয়ে একটি প্যাক বানিয়ে মুখে ১০ মিনিট রেখে পানি দিয়ে ধীরে ধীরে ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত ব্যবহার করলে রোদে পোড়া দাগ থাকবে না

 

শশাঃ

রূপচর্চাতে শশার ভূমিকা অনেক। শশার রস টোনার হিসেবে আপনার ত্বকে ব্যবহার করতে পারেন। চোখের ডার্ক সার্কেল দূর করতে শশা বিশেষ ভূমিকা পালন করে। শশা থেঁতলে নিয়ে চোখের ওপর পাতলা কাপড় অথবা তুলো দিয়ে তার ওপর দিন। নিয়মিত ব্যবহারে চোখের ডার্ক সার্কেল দূর হবে   

[চলবে]

IMAGES: http://www.freeimages.co.uk/

POPULARLY KNOWN AS MIRPUR STADIUM

OFFICIAL NAME: SHER E BANGLA CRICKET STADIUM

LOCATION: DHAKA, THE CAPITAL CITY OF BANGLADESH

A NUMBER OF IMPORTANT MATCHES INCLUDING THE 2014 T20 FINAL WAS PLAYED IN THIS VENUE.

AUTHOR OF IMAGE: Souvik.arko

POPULARLY KNOWN AS CHITTAGONG STADIUM

OFFICIAL NAME: ZOHUR AHMED CHOWDHURY STADIUM

LOCATION: CHITTAGONG, MAJOR PORT CITY IN BANGLADESH

A NUMBER OF IMPORTANT MATCHES WERE PLAYED IN THIS VENUE.

AUTHOR OF IMAGE: Aftab 1995

SYLHET INTERNATIONAL CRICKET STADIUM 

LOCATION: SYLHET, ONE OF THE BEAUTIFUL CITIES IN BANGLADESH

A LIMITED NUMBER OF MATCHES WERE PLAYED IN THIS VENUE.

AUTHOR OF IMAGE: Imrankabirhossain


GREAT NEWS!!!


WORLD CLASS CAREER COACHING IS NOW AVAILABLE IN DHAKA……

Do you need a career coach?

In advanced countries, smart people invest in their careers. They prefer to have a career coach…

Not everyone understands the importance of career coaching. People who are highly motivated to succeed will find a career coach.

 How can I apply for jobs?  How can I get a job quickly?  What is the right type of career for me?  • How can I get a promotion quickly?  • I need to have a career plan • What kind of training do I need to succeed? • Do I need a job or a business?  • How can I become very successful in my career?  • How can I get job satisfaction?  • I am unemployed for a long time. What is the reason for this?  •Am I better suited for a job or for a business? • What type of job is best for me? • What type of business is best for me?  • How can I start a small business? How can I improve my English? Etc. Etc. 

CALL: 01784 393 622       FIRST CONSULTATION FREE (EXACTLY 30 MINUTES)     

                                            SUBSEQUENT CONSULTATION (TAKA 1,000 FOR EACH 30 MINUTES)

                                            RECOMMENDED: AT LEAST 4 CAREER COACHING SESSIONS PER YEAR.  

TALKING ABOUT INVESTMENT - 

MANY PEOPLE INVEST IN REAL ESTATE

SOME PEOPLE INVEST IN STOCK MARKET (I.E. SHARE MARKET)

SOME PEOPLE INVEST QUITE A LOT IN CHILDREN'S EDUCATION

ENTREPRENEURS KEEP INVESTING IN THEIR OWN BUSINESS

VERY SELECTED PEOPLE INVEST IN THEIR OWN CAREER DEVELOPMENT (USUALLY THEY DO IT QUIETLY AND SECRETLY)

WHERE DO YOU BELONG? WHICH CATEGORY OF PEOPLE ARE THE SMARTEST? 

Career Driver is a business division of Career Design International.



___________________________________________________________________________________________________ 

T-20 WORLD CUP 2014 HAS JUST ENDED  

এ কি হোল, কেন হোল?


মোঃ মোস্তাকিম বিল্লাহ অর্নব

Team member - Career Design. Location: Mymensingh, Bangladesh

সাকিব আল হাসানের পর ২০১১ সালের সেপ্টেম্বর মাস থেকে বাংলাদেশের দায়িত্ব নেয় এ যাব কালের সবথেকে সফল অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। মুশফিকের অধীনে ২০১২, ২০১৩ সাল বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের স্বর্নোজ্জল সময় বলা যাবে। টেস্ট ও টি-টোয়েন্টিতে খুব ভাল ফল না নিয়ে আসলেও এসেছে অভাবনীয় সাফল্য ওয়ান্ডে ম্যাচ গুলোতে। ২০১২ সালে পুরো জাতিকে কাঁদিয়ে বাংলাদেশ হয় এশিয়া কাপের রানার্স-আপ, মাত্র ২ রানের ব্যাবধানে তাদের হারতে হয় পাকিস্তানের কাছে। আর ২০১০ সালের পর আবার ২০১৩ সালে নিউজিল্যান্ড কে বাংলা-ওয়াশ করার কথা নিশ্চই কেউ ভুলে নি। এক নজরে ২০১২-১৩ সালের একদিনের ম্যাচের রেকর্ড-

সাল

ম্যাচ সংখ্যা

জয়

হার

ড্র

ফল-শূন্য

শতকরা হার

২০১২

০৯

০৫

০৩

০১

৬২.৫০

২০১৩

০৯

০৫

০৪

৫৫.৫৫

 

 

 

 

 

 

 














অনেকটা ধারাবাহিক খেলার পরও হঠা করেই ২০১৪ সালে এসে বাংলাদেশকে দেখতে হচ্ছে সব থেকে খারাপ সময়। প্রথমে শ্রীলংকা, এরপর এশিয়া কাপ এবং সবশেষে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ একে-একে সবগুলোতেই বাংলাদেশকে গুনতে হয়েছে লজ্জার হার। কথায় আছে - ‘অভাগা যেদিকে চায় সাগর শুকায়ে যায়’ আর হয়তো বা সে জন্যই স্বাগতিক দেশ হয়েও তাদের খেলতে হয়েছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাই-পর্ব, সেই বাছাই-পর্বে তিনটি ম্যাচের মধ্যে দুটি ম্যাচে জয় পেয়ে বাছাই হলেও, হংকং এর মত দলের কাছে হারবার পর বিশ্বকাপে যাবার সেই স্বাদ অনেকটা বিষময়ই ছিল বাংলদেশের কাছে। এ বছরের কোন ম্যাচেই স্বয়ং-সম্পূর্ন হয়ে খেলতে পারেনি বাংলাদেশ; অর্থা দেখা গিয়েছে, কোন ম্যাচে ব্যাটিং ভাল হয়েছে তো বোলিং খারাপ হয়েছে অথবা তার উল্টোটা অথবা ব্যাটিং-বোলিং দুটোই খারাপ হয়েছে। শেষ টি-টোয়ন্টিতে আসরে বাংলাদেশের না ব্যাটিং ভাল হয়েছে না বোলিং।  এ পর্যন্ত এক নজরে ২০১৪ সালের একদিনের, টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি ম্যাচের রেকর্ড-

ফরম্যাট

ম্যাচ সংখ্যা

জয়

হার

ড্র

ফল-শূন্য

শতকরা জয়ের হার

ওয়ান্ডে

০৭

০৭

০০

০০

০০

০.০০

টেস্ট

০২

০০

০১

০১

০০

০.০০

টি-টোয়েন্টি

০৭

০২

০৫

০০

০০

২২.২২

 

বাংলাদেশের খারাপ খেলার পিছনে হয়তো বা ছিল ভাগ্যের দোষ, তা না হলে কি আর একদিনের ম্যাচে ৩২৬ রান করে পাকিস্তানের কাছে হার মানতে হয়; ১৮০ রানে শ্রীলংকাকে আটকিয়ে দেবার পরও ১৭ রানে হারতে হয়। তবে ভাগ্য নয় মূলত তাদের এই হার ও বাজে খেলার পিছনে ব্যাটসম্যানদের ধারাবাহিকভাবে বাজে ব্যাটিং, ফাস্ট বোলারের অভাব, স্পিনারদের চাহিদার থেকে খারাপ বোলিং, সঠিক সময়ে সঠিক বোলার ব্যাবহার না করা, বাজে ফিল্ডিং দায়ী।

যেকোনে দলের জন্য টপ-অর্ডার ব্যাটস্-ম্যানের রান পাওয়া জরুরি, অথচ আমাদের টপ-অর্ডার ব্যাটসম্যানের কাছ থেকে রান আসছে না বললেই চলে। একদিকে আনামুল হক আগলে রাখলেও, রানের সাথে অনেকটা যুদ্ধ করেই চলেছে তামিম ইকবাল। শেষ ৭ টি-টোয়েন্টিতে তামিমের রান যথাক্রমে ২১,৩০,০,৫,৬,১৬ ও ৫। বারবার হয়ত নির্বাচক মণ্ডলী তার কাছ থেকে আশা করছিলেন আকস্মিক একটি সওভাজ্ঞ। এনামুল্, তামিমের পর তারপর মুশফিক, সাকিব অনেকটা হাল ধরলেও মিডল-অর্ডারের অবস্থা ছিল খুবই করুন। সাকিব ম্যাচে রান পেলেও, একজন অভিজ্ঞ ও সাবেক এক নম্বর অল-রাউন্ডার হিসেবে যেভাবে ম্যাচ ধরে খেলতে হয় সেই ধৈ্র্য কখনো কখনো সে দেখাতে পারেনি, অনেকটা অস্থিরতার জন্যই বড় ম্যাচ খেলা হয়ে উঠছে না সাকিবের। মিডল-অর্ডারের মিস্টার ফিনিশার খ্যাত নাসির হোসেন রানের ক্ষরায় ভুগছে অনেক দিন যাব, তার ব্যাটে নেই সেই আগের মত ধার। আর মাহমুদুল্লাহ-তো একমাত্র তার বোলিং এর জন্যই দলে রয়েছে, তার ব্যাট এখন আর রানের দেখা পায় না। সবথেকে বড় কথা বাংলাদেশে ম্যাচ ঘুড়িয়ে ফেলার মত নেই কোন ব্যাটসম্যান, যে ম্যাচের করুন অবস্থায় ম্যাচকে ধরে রেখে দলকে নিয়ে যাবে জয়ের দ্বারপ্রান্তে।

যে বাংলাদেশের স্পিন ছিল তাদের ম্যাচ জয়ের মূল অস্ত্র সেই বোলিং-এ এবার ছিল রণ-কৌশলের অভাব। স্পিনাররা তাদের জাল বুনতে ব্যর্থ হয়েছে। আর ফাস্ট বোলার এর অভাব যেখানে প্রকট সেখানে ইনজুরি ছিল আরো বড় ধরনের বাধা। আর ফিল্ডিং! এবারের মত বাজে ফিল্ডিং মনে হয় বাংলাদেশ এক যুগ ধরে করেনি। কথায় আছে ‘ক্যাচ মিস তো ম্যাচ মিস’। আর বাংলাদেশের প্রায় প্রত্যেক ম্যাচেই ছিল ক্যাচ মিসের নিদর্শন। আর ফিল্ডিং মিস করা তো নিয়মে পরিনিত হয়ে দাড়িয়েছিল।

তবে শুধু বোলিং কিংবা ব্যাটিং নয়, ছিল দলের অধিনায়কের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন। সঠিক সময়ে সঠিক বোলার ব্যবহার করা, ফিল্ডিং এটাকিং করা দলের অধিনায়কের অনেক বড় কাজ, অথচ এ সব কিছুর ছিল বিশাল ঘাটতি। এমনকি মূল একাদশে খেলোয়ার নির্বাচন নিয়ে ছিল সংশয়। বিশেষ করে এশিয়া কাপের সময় আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের বিরূদ্ধে যখন সকল বোলার রান দিচ্ছিল, সে সময় জিয়াউর রহমানকে ব্যবহার না করায় মুশফিককে হতে হয়েছে অনেক খানি বিতর্কিত।

মূলত টপ-অর্ডার ও মিডল-অর্ডার ব্যাটসম্যানের রান না পাওয়া, অধিনায়কের সঠিক সময়ে সঠিক বোলার ব্যবহার না করা, ফিল্ডিং সঠিকভাবে না সাজানো, বাজে ফিল্ডিং ও স্পিন বোলারদের চাহিদার থেকে ভাল বল না করা ও ফাস্ট বোলারের অভাব বাংলাদেশের হারের ও খারাপ খেলার পিছনে দায়ী।

বাংলাদেশের ক্রিকেট কে আমরা যারা ভালবাসি - এখন আমাদের সবার কাজ বেড়ে গেল । পরিবর্তন তো অবশ্যয়ই প্রয়োজন – কিন্তু কি কি? গভীর ভাবে চিন্তা করতে হবে আমাদেরকেই।

জল্পনা কল্পনা ? নাকি যুক্তি সংত পূর্বাভাস?

মোঃ মোস্তাকিম বিল্লাহ অর্নব

Team member - Career Design. Location: Mymensingh, Bangladesh


ভারত বনাম শ্রীলংকাঃ

ফাইনাল, 6 April 2014




এবারের টি-টোয়েন্টি আসরের শেষ সেমি-ফাইনালে দক্ষিন আফ্রিকাকে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মত 

ফাইনালে উঠে ভারত আর অন্যদিকে বৃষ্টি বিঘ্নিত প্রথম সেমি-ফাইনালে শ্রীলংকা ডাকওয়ার্থ লুইস 

পদ্ধতিতে ওয়েষ্ট-ইন্ডিজকে হারিয়ে তৃ্তীয় বারের মত ফাইনালে উঠে। শ্রীলংকা এ পর্যন্ত কোন 

আসরে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিতে না পারলেও ভারত হয়েছে ২০০৭ সালের টি-টোয়েন্টি 

চ্যাম্পিয়ন।


উপমহাদেশে খেলা হবার কারনে দুই দেশই পাবে সমান-সমান সুবিধা। দুদলই স্পিন এ বেশ 

শক্তিশালী, তাই এ ম্যাচে স্পিনের লড়াই বেশ জমজমাটই হবে। সব সময়কার হট ফেভারিট ভারত এ আসরে এখন পর্যন্ত কোন ম্যাচে হারের স্বাদ পায়নি । প্রতিটি ম্যাচ খেলেছে অত্যন্ত বিচক্ষন ও নৈপুন্যের সাথে। সারা বিশ্বকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে, জানিয়ে দিয়েছে তারা শুধু ব্যাটিং এই নয় বোলিং-এও সেরা। আর ভারতের ব্যাটিং এমন এক অবস্থানে চলে গেছে যে তারা যেকোন রান তাড়া করে ম্যাচ জয়ের সম্ভাবনা রাখে। ব্যাটিং এ সবার পারফর্ম্যান্স ভাল হলেও, বিরাট কোহলির ফর্ম বেশ তুঙ্গে এবং এবারের আসরের সব থেকে রানের মালিক তিনিই। সবগুলো ম্যাচ খেলে তার সংগ্রহ ২৪২ রান।


অন্যদিকে এবারের অনেকটা হট ফেভারিট শ্রীলংকা ব্যাটিং খুব বেশি একটা নৈপুন্য দেখাতে না 

পারলেও বোলিং-এ দেখিয়েছে অসাধারন নৈপুন্য। মাত্র ১১৯ রান তাড়া করতে নেমেও নিউজিল্যান্ড দল শ্রীলংকার বোলিং-এর সামনে মাত্র ৬০ রানে অল-আউট হয়েছে, এমনকি নেদারল্যান্ডকে মাত্র ৩৯ রানে অল-আউট করে গড়েছে সব থেকে দলীয় কম রানের রেকর্ড। শ্রীলংকার ব্যাটিং যে খুব খারাপ সেটা নয়, তবে ভারত দলের থেকে বেশি নয়। দুদলের স্পিনের লড়াই বেশি হলেও, মালিঙ্গা শ্রীলংকার জন্য প্লাস পয়েন্ট। স্লোক ওভারে রান কিভাবে নিয়ন্ত্রনে রাখতে হয় সেটা মালিঙ্গার ভাল করেই জানা।


এ পর্যন্ত দুদল একে অপরের মুখোমুখি হয়েছে ৫ বার। যার মাঝে ভারত জয় পেয়েছে ৩ বার 

আর শ্রীলংকা জয় পেয়েছে ২ বার। অর্থাৎ ভারতের, শ্রীলংকার বিরূদ্ধে ম্যাচ জয় করার হার ৬০ শতাংশ আর শ্রীলংকা্‌, ভারতের বিরূদ্ধে জয়ের হার ৪০ শতাংশ। দুদলের ম্যাচের পরিসংখ্যান হল-

দলীয় সর্বোচ্চ রানঃ     দলীয় সর্বনিম্ন স্কোর          ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রানঃ

ভারতঃ ২১১/৪          ভারতঃ ১৫৫/৩             বিরাট কোহলিঃ ৬৮

শ্রীলংকাঃ ২১৫/৫         শ্রীলংকাঃ ১১৬/১০           সাঙ্গাকারা ৭৮

ক্রিকেটে এশিয়ার দুই শক্তিশালী দল ভারত ও শ্রীলংকা, এই ম্যাচে যে কেউ কাউকে ছাড় দিয়ে খেলবে না সেটা নিশ্চিত। সাম্প্রতিক পারফর্ম্যান্স দুদলে্রই ভাল, কেউ কারো থেকে কম নয়। একদিকে ভারত চাইবে ২০০৭ সালের মুকুট অর্জন করতে অন্যদিকে শ্রীলংকা তাদের বারবার ফাইনালে এসেও খালি হাতে যাবার শূন্যতা পুরন করতে চাইবে। তাই দুদলেরই ম্যাচে জয় পাবার সম্ভাবনা একেবারে কাছাকাছি। তবে ভারতের সম্ভাবনা একটু বেশি, সম্ভাব্যতা হতে পারে ভারত ৫২ শতাংশ আর শ্রীলংকা ৪৮ শতাংশ। ফলাফল যাই হোক না কেন, পৃথিবীর সকল ক্রিকেট দর্শক আকাঙ্খা করবেন একটি মনে রাখার মত খেলা।

 

ভারত বনাম দক্ষিন আফ্রিকাঃ 

দ্বিতীয় সেমি ফাইনাল, 4 April 2014




২০০৭ সালের টি-টোয়েন্টি চ্যাম্পিয়ন ভারত ২০০৭ সালের পর থেকে ফাইনাল তো দূরের কথা সুপার এইট পার হত পারেনি। কিন্তু আগের ভারত আর এবারের ভারতের মাঝে অনেক তফাৎ l

অবাক হলেও সত্য এবারের আসরে ব্যাটিং নয়, বোলিং করে সারা বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে 

ভারত। ভারতের বোলিং-এর বিরূদ্ধে দাড়াতে পারেনি প্রতিপক্ষ কোন দলই। তাদের বোলিং এর 

বিরূদ্ধে বিপক্ষ দলগুলোর রান যথাক্রমে ১৩০, ১২৯, ১৩৮। আর শেষ ম্যাচে তো ভারত 

অস্ট্রেলিয়াকে ছুড়ে দেয় ১৬০ রানের টার্গেট যার জবাবে ব্যাট করতে নেমে ভারতের বোলিং তোপে মাত্র ৮৬ রানে অল-আউট হয়ে ৭৩ রানের বিশাল ব্যবধানের লজ্জাজনক হার মানতে হয় অস্ট্রেলিয়াকে। ব্যাটিং এ ভারত আগের থেকেই ভাল। বিরাট কোহলি, রায়না, ধোনির মত খেলোয়ার, ভারতকে যে কোন কঠিন মুহূর্ত থেকে পরিত্রান দিয়ে নিয়ে যেতে পারে জয়ের দ্বার প্রান্তে, আর দিতে পারে প্রতিপক্ষ দলকে বিশাল রানের টার্গেট।

অন্যদিকে দক্ষিন আফ্রিকা বরাবরই প্রতিপক্ষ হিসেবে যথেষ্ঠ শক্তিশালী। ব্যাটিং এ এবি ডিভিলিয়ার্স, হাসিম আমলা, ডুমিনি দারূন ফর্মে রয়েছে। বোলিং ইমরান তাহির, পারনেল, ডেল স্টেইন এর সামনে প্রতিপক্ষ দলের দাঁড়ানো অনেক কঠিনই হবে। ডেল স্টেইন এর বোলিং-এ বিধ্বস্ত হয়ে নিউজিল্যান্ডকে ২ রানের জন্য হার মানতে হয়, ডেল স্টেইন তুলে নেয় ১৭ রানের বিনিময়ে ৪ উইকেট। । আর নেদারল্যান্ড এর বিরূদ্ধে ব্যাটিং খারাপ করলেও ইমরান তাহিরের বোলিং তোপের কাছে হার মানে নেদারল্যান্ড, ইমরান তাহির তুলে নেয় ২১ রানে ৪ উইকেট। শেষ ম্যাচে পারনেল তিন উইকেট নিয়ে ইংল্যান্ডের বিরূদ্ধে জয় পেতে সাহায্য করে।

এ পর্যন্ত দু’দল একে অপরের মুখোমুখি হয়েছে ৭ বার। দক্ষিন আফ্রিকা যার মাঝে জয় পেয়েছে ২ বার আর ভারত জয় পেয়েছে ৫ বার। পরিসংখ্যান ভারতের পক্ষেই যুক্তি দিবে, আর ভাগ্যের কাছে বন্দি দক্ষিন আফ্রিকার জন্য এই ম্যাচে জয় পাওয়া সহজ না হলেও খুব একটা কঠিনও হবে না। সবকিছু মিলিয়ে এ ম্যাচে ভারতের জয় পাবার সম্ভাবনা ৫৭ শতাংশ আর দক্ষিন আফ্রিকার ৪৩ শতাংশ বলে মনে হয়।


শ্রীলংকা বনাম ওয়েষ্ট-ইন্ডিজ়

প্রথম সেমি ফাইনাল, 3 April 2014




আইসিসি আয়োজিত টি-টোয়েন্টি ২০১৪’র প্রথম সেমি-ফাইনালে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে এবারের 

আসরের অন্যতম দুই ফেভারিট শ্রীলংকা ও ওয়েষ্ট-ইন্ডিজ। এই দুই জায়ান্ট দলের সেমি-ফাইনাল 

যে বেশ জমজমাট ও উত্তেজনাময় হবে সেটা বলার অপেক্ষা থাকে না।


শ্রীলংকা দুইবার ফাইনাল ম্যাচে অংশ নিলেও নিতে পারেনি একবারও কাপ, আর এই শ্রীলংকাকে 

হারিয়েই ২০১২ সালের প্রথমবারের মত টি-টোয়েন্টি কাপ নেয় ওয়েষ্ট-ইন্ডিজ।

দু’দলই স্পিনে বেশ শক্তিশালী, আবার ব্যাটিং এও কেও কারো থেকে কম যায় না। এবারের আসরে দু’দলই একের পর ঝলক দেখিয়ে গেছে। প্রথম ম্যাচে শ্রীলংকা তাদের অসাধারন বোলিং নৈপুন্যে মাত্র ৩৯ রানে অল-আউট করে নেদারল্যান্ডদেরকে, শেষ ম্যাচে মাত্র ১১৯ রান করার পরও ম্যাচ ছিনিয়ে নেয় নিউজিল্যান্ডের কাছ থেকে। এ ম্যাচে রেকর্ড করেন গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর আর টি-টোয়েন্টিতে খেলতে না পারা রঙ্গনা হেরথ। মাত্র ৩ রানের বিনিময়ে ৩ ওভার এবং ৩ বলে তুলে নেয় ৫ উইকেট, আর নিউজিল্যান্ড অল-আউট হয়ে যায় মাত্র ৬০ রানেই। আর ব্যাট হাতে কুশাল পেরারা, সাঙ্গাকারা, থিরিমান্নি, জয়বার্ধানতো রয়েছেই। আর স্লোক ওভারে মালিঙ্গার মত রান চেক আর কে দিতে পারে? কাজেই মালিঙ্গা, হেরাথ, কুলাসেকারা, সেনানায়ক-কে নিয়ে ওয়েষ্ট-ইন্ডিজকে অবশ্যই বেশি রান করতে দিতে চাইবে না শ্রীলংকা।

অন্যদিকে ওয়েষ্ট-ইন্ডিজ অবশ্যই চাইবে ২০১২ সালের ম্যাচের পুনরাবৃত্তি করতে। টি-টোয়েন্টি র‌্যাঙ্কিং এ টপ দুই বোলার নারিন ও বাদ্রিকে সাথে নিয়ে স্যামি বেশ স্বাচ্ছন্দ্যেই আছে, থাকবেই বা না কেন শেষ ম্যাচে পাকিস্তানকে ৮২ রানে অল-আউট করতে গিয়ে বাদ্রি তুলে নেন ১০ রানের বিনিময়ে ৩ উইকেট, গুড়িয়ে দেয় পাকিস্তানের টপ অর্ডারদের। নারিনও তুলে মাত্র ১৬ রানের বিনিময়ে ৩ উইকেট। ওয়েষ্ট-ইন্ডিজ স্কিপার নিজেই বা কম কিসে? অস্ট্রেলিয়ার বিরূদ্ধে শেষ ওভারে এসে দুই ছ্য় মেরে ম্যাচ জেতানো কিংবা পাকিস্তানের সাথে ৪২ রান করে পাকিস্তানকে ১৬৬ রানের বড় স্কোর টার্গেট দিতে স্যামির অবদান সবথেকে বেশি। আর গেইল, স্মিথ ,ড্যারন ব্রাভো-কে সাথে নিয়ে শ্রীলংকাকে বড় রানের টার্গেট দিতে ওয়েষ্ট-ইন্ডিজের খুব একটা কষ্ট হবার কথা নয়।

ওয়েষ্ট-ইন্ডিজ ও শ্রীলংকা এ পর্যন্ত মুখোমুখী হয়েছে ৫ বার। যার মাঝে ওয়েষ্ট-ইন্ডিজ জয় পেয়েছে মাত্র একবার, বাকি ৪টি ম্যাচে জয় পেয়েছে শ্রীলংকা। এই ম্যাচ দুদলেরই জয় পাবার সম্ভাবনা প্রায় সমান সমান, কিন্তু জয় তো হবে যেকোন একদলের, দুদলের নয়। তাই সবকিছু মিলিয়ে এই ম্যাচে শ্রীলংকার জয় পাবার সম্ভাবনা বেশি। হতে পারে সেই সম্ভাবনা ৫৩-৪৭। শ্রীলংকার জন্য ৫৩ শতাংশ আর ওয়েষ্ট-ইন্ডিজের জন্য ৪৭ শতাংশ। ফলাফল যা ই হোক না কেন, একথা স্বীকার করতেই হবে যে  প্রচণ্ড শক্তিশালী দুটি টীম মুখোমুখি হতে যাচ্ছে   আজকের সেমি-ফাইনালে । 

বাংলাদেশ বনাম অস্ট্রেলিয়াঃ 1 April 2014



শুধুই আত্ন-সম্নানের লড়াই ছাড়া কিছুই নয়। আসরের প্রত্যেকটি ম্যাচ হেরেছে অস্ট্রেলিয়া এবং বাংলাদেশ, তাদের নেই আর সেমি-ফাইনাল খেলার স্বপ্ন, নেই গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে সেমি-ফাইনালে যাবার স্বপ্ন, শুধুই আত্ন-সম্নানের খেলা, নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার খেলা। বাঙ্গালী জাতি সাধারনত ক্রিকেট ভক্ত জাতি, তার মাঝে এদেশেই হচ্ছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, কাজেই বাংলাদেশের প্রতি এদেশের মানুষের অনেক আশা-ভরশা ছিল। কিন্তু সে আশা-ভরশা তো মিটেইনি, বরং যা ছিল তাও চলে গেছে। সাম্প্রতিক বাংলাদেশ এর পারফর্ম্যান্স যথেষ্ঠ খারাপ, তারা তাদের প্রত্যেকটি ম্যাচ শুধু হারেইনি, হেরেছে অত্যন্ত বাজেভাবে। বিশেষ করে টপ-অর্ডারের ব্যর্থতাই মূল কারন ।তামিম, সামছুর, মুশফিক কারো ব্যাটে রান না পাওয়া বাংলাদেশের হারের মূল কারন। বিশেষ করে তামিমের আউট হয়ে যাবার ধারা যেন প্রত্যেক ব্যাটসম্যানই ধরে রাখে।

অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়া যে ভাবে ভারতের কাছে হার মানলো, মাত্র ৮৩ রানে অল-আউট হয়ে যাওয়া মনে হয় তারা আজীবন মনে রাখবে। তারা তাদের প্রত্যেকটি ম্যাচে লড়াই করছে ঠিকই, কিন্তু প্রতিপক্ষ দলের বিপক্ষে দাড়াতে পারেনি। তবে প্রত্যেকটি ম্যাচ ভাল খেলেছে ম্যাক্সওয়েল। টপ-অর্ডারের ওয়াটসন, ওয়ার্নার, বেইলি রানে ফিরলে হয়তোবা অস্ট্রেলিয়া তাদের ঝলকানি দেখাতে পারবে।

T20 তে পর্যন্ত দুদল একে অপরের মুখোমুখি হয়েছে বার। একবারও জিততে পারেনি বাংলাদেশ, দুবারই জিতেছে অস্ট্রেলিয়া। ম্যাচে তাই অস্ট্রেলিয়ার জয় পাবা সম্ভাবনা বেশি। যা সম্ভাব্যতা ৭০-৩০। অর্থাৎ অস্ট্রেলিয়ার জন্য ৭০ শতাংশ আর বাংলাদেশের জন্য ৩০ শতাংশ।


বাংলাদেশ বনাম পাকিস্তান: 30 March 2014



এ আসরে টিকে থাকতে হলে পাকিস্তানের জন্য ম্যাচটি জিততেই হবে, আর অন্যদিকে বাংলাদেশের জন্য আত্ন-সম্নানের লড়াই ছাড়া আর কিছু নয়।

এ পর্যন্ত টি-টোয়েন্টি ম্যাচ এ বাংলাদেশ পাকিস্তানের মুখোমুখী হয়েছে ৬ বার, কিন্তু ম্যাচ জিততে পারেনি একটিও। একমাত্র একদিনের ম্যাচেই বাংলাদেশ পাকিস্তানকে আজ থেকে ১৪ বছর পূ্র্বে ম্যাচেই হারাতে পেরেছিল। সেই ১৪ বছরের পুনরাবত্তি আজ পর্যন্ত ঘটেনি। হোক না টি-টোয়ন্টি ম্যাচ, ১৪ বছরের ক্ষোভ মেটানোর এর মত বড় সুযোগ বাংলাদেশ নিশ্চিত হারাতে চাইবে না।

প্রথম ম্যাচ ভারতের কাছে হারার পর, অস্ট্রেলিয়াকে বধ করার মাধ্যমে পাকিস্তান ২ পয়েন্টসহ (+0.0৭৭) রান রেট নিয়ে আছে পয়েন্ট টেবিলের তিন নম্বর স্থানে। কাজেই এ ম্যাচে বাংলাদেশ ও সামনে ওয়েষ্ট-ইন্ডিজকে হারাতে পারলে পাকিস্তান সেমিফাইনাল খেলতে পারবে, সেজন্য এম্যাচে তাদের জয় পেতেই হবে।

আর বাংলাদেশ এ ম্যাচে জয় পেলে সেমিফাইনালে না গেলেও ফিরে পাবে তাদের আত্ন-সম্নান,তাদের আত্ন-বিশ্বাস।

ভারতের সাথে ব্যাটিং ভাল করতে না পারলেও বোলিং এ পাকিস্তান ঠিকই নৈপুন্য দেখিয়েছে, আর অন্য  ম্যাচে অস্ট্রেলিয়াকে শুধু বোলিং এই নয়, জবাব দিয়েছে ব্যাটিং করেও, দিয়েছিল ১৯১ রানের টার্গেট আর সে রান তাড়া করতে গিয়ে অস্ট্রেলিয়া অল-আউট হয় ১৭৫ রানে।

আর এদিকে বাংলাদেশ বোলিং এ সামান্য নৈপুন্য দেখালেও, ব্যাটিং এ তারা দাড়াতেই পারছে না। শেষ দু’ম্যাচে করেছে যথাক্রমে ৯৮ ও ১৩৮ রান মাত্র। ব্যাটিং টপ অর্ডার রান করতেই পারছে না, বিশেষ করে তামিম ইকবাল ও সাকিব আল হাসান।

পাকিস্তানের সাথে তাদের জয় পাবার সম্ভাবনা অনেক কম, তবু টি-টোয়েন্টি ম্যাচ বলে কথা এক ওভারেই বদলে যেতে পারে অনেক কিছু। তাই দু’দলের সম্ভাবনা কম-বেশি থেকেই যায়। সেই সম্ভাবনা হতে পারে অনেকটা এরকম-পাকিস্তানের ম্যাচে জয় পাবার সম্ভাবনা ৬৭ শতাংশ, আর বাংলদেশ এর সম্ভাবনা ৩৩ শতাংশ।


বাংলাদেশ বনাম ভারতঃ 28 MARCH 2014



PUBLISHED: 28 MARCH 2014

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের কাছে দেশের মানুষের আশা সবসময়ই বেশি, হবেই বা না কেনো এই একটি উপলক্ষকে কেন্দ্র করেই তো দেশের মানুষের যত আশা-ভরসা,আকাংখা। তাই স্বাগতিক দেশ হবার পরও তাদের এমন বাজে ব্যাটিং, ফিল্ডিং, বোলিং মোটেও কারো কাম্য নয়।

টুর্নামেন্ট-এর প্রথম ম্যাচ ওয়েষ্ট-ইন্ডিজ এর কাছে যথেষ্ট বাজেভাবে হেরেছে বাংলাদেশ দল। ব্যাটিং- টপ অর্ডার থেকে শুরু করে শেষ পর্যন্ত দাড়াতে পারেনি কেউ অলআউট হয় দলীয় রান মাত্র ১০০ হবার পূর্বেইবোলিং- যতটুকু নৈপুন্য দেখিয়ে ছিল,বাজে ফিল্ডিং সেটাও ধুয়ে গেছে। তাই প্রথম ম্যাচ হেরে বাংলাদেশ রয়েছে গ্রুপ- এর পয়েন্ট টেবিলের সবথেকে শেষে। আর তাই টুর্নাম্যান্টে টিকে থাকতে হলে বাংলাদেশের জন্য ম্যাচ জিততেই হবে, কেননা সামনের ম্যাচও ভারতের মত পাকিস্তান, অস্ট্রেলিয়ার মত বড় দলগুলোর সাথে।

অন্যদিকে টুর্নামেন্ট-এর শুরু থেকেই অত্যন্ত নৈপুন্যের সাথে ব্যাটিং, বোলিং, ফিল্ডিং করে আসছে ভারত। বোলিং এর নৈপুন্যে পাকিস্তান, ওয়েষ্ট-ইন্ডিজ দুদলকেই আটকিয়ে ফেলেছে ১৩০ রানের মধ্যে। ব্যাটিংও করেছে অসাধারন। তারা তাদের প্রথম দুটো ম্যাচ জিতে গ্রুপ- এর পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে রয়েছে ।আর এই ম্যাচ জিততে পারলেই তাদের সেমিফাইনাল নিশ্চিত।

পর্যন্ত দুদল একে-অপরের মুখোমুখি হয়েছে মাত্র একবার। ম্যাচটি জিতেছিল ভারত। এই ম্যাচেও জয় পাবার সম্ভাবনা ভারতের বেশি। ভারত বধ করা বাংলাদেশের সম্ভব না হলেও অসম্ভব নয়। তাই এই ম্যাচে বাংলাদেশের জয়ের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেয়া যাবে না, হতে পারে সেই সম্ভাবনা মাত্র ৩০ শতাংশ ।আর ভারতের জন্য ৭০ শতাংশ


PUBLISHED: 24 MARCH 2014

বাংলাদেশ বনাম ওয়েষ্ট-ইন্ডিজ, 25 MARCH 2014




মূল বিশ্বকাপ-এ এটাই বাংলাদেশের প্রথম খেলা,এর পূর্বে স্বাগতিক দেশ হয়েও তারা বাছাই পর্ব 

খেলে উঠে আসে মূল দশ-এ। আর ওয়েষ্ট ইন্ডিজ দলের এটা দ্বিতীয় খেলা। ২০১২ সালের 

চ্যাম্পিয়ন ওয়েষ্ট ইন্ডিজ দল হেরেছে তাদের প্রথম ম্যাচ,ভারতের বিরূদ্ধে। তারা তাদের পুরো দল নিয়ে আসলেও দাড়াতে পারেনি ভারত দলের সামনে।


ওয়েষ্ট ইন্ডিজ স্পিনের বিরূদ্ধে খুব একটা স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে না,সেজন্যই হয়তো ভারতের বিপক্ষে 

২০ ওভারে করেছে মাত্র ১২৮ রান,অপদস্থ হয়েছে তাদের স্পিন এর কাছে,আর এটা হতে পারে 

বাংলাদেশ দলের জন্য একটি বড় সুযোগ ।কেননা বাংলাদেশ স্পিন এ যথেষ্ট শক্তিশালী । তাদের 

আছে সাবেক বিশ্বসেরা অল-রাউন্ডার সাকিব আল হাসান, রাজ্জাক,মাহমুদুল্লাহ,সোহাগ গাজি-দের 

মত সেরা স্পিনার।


নিজ দেশের মাটিতে বাংলাদেশ সবসময়ই ফেবারিট,পারফরম্যান্সও খুব ভাল।টপ অর্ডাররা ভাল 

করলে যেকোন দেশের বিপক্ষেই জয় ছিনিয়ে আনার ক্ষমতা রাখে বাংলাদেশ।


অন্যদিকে কোন দেশ এ খেলা,কোনা দলের বিপক্ষে খেলা সেটা খুব একটা কাজে দেয় না,যখন ওয়েষ্ট ইন্ডিজ দলের খেলোয়ার মারতে শুরু করে ।গেইল,স্যামুয়েলস,স্যামি,নারিন,বাদ্রি যে কোন সময় বিপক্ষ দলের জন্য নিয়ে আসতে পারে বড় যেকোন অঘটন । আরা গেইল ঝড় একবার শুরু হলে টার্গেট যত বড়ই হোক,ওয়েষ্ট ইন্ডিজ এর সামনে সেটা কিছু না । আর ভারতের বিরূদ্ধে ব্যাটিং এ ব্যর্থতার পরিচয় দিলেও  লড়াই করেছে বোলিং এ ঠিকই ।


এ পর্যন্ত দু’দল টি টোয়েন্টি ম্যাচ এ একে অপরের মুখোমুখি হয়েছে চার বার, যার মাঝে ওয়েষ্ট 

ইন্ডিজ জিতেছে ২ বার,আর বাংলাদেশও দুইবার ।তবে টস জিতলে বাংলাদেশের ফিল্ডিং করাটাই ভাল হবে,আর যদি ওয়েষ্ট ইন্ডিজ দলকে ১৪০-১৫০ এ মধ্যে আটকিয়ে দিতে পারে,তবে সেটা বাংলাদেশের জন্য পসিটিভ ফলই আসবে আসা করা যায়।


সবকিছুর উর্ধ্বে বাংলাদেশ ওয়েষ্ট ইন্ডিজ দলের মাঝে ওয়েষ্ট ইন্ডিজ এর জেতার সম্ভাবনাই বেশি ।

আর সেই সম্ভাবনা হতে ৬০-৪০ ।ওয়েষ্ট ইন্ডিজ এর জন্য ৬০ শতাংশ আর বাংলাদেশ এর জন্য 

৪০ শতাংশ।  






BANGLADESHI STARS - 

Mashrafe Mortaza, Shakib Al Hasan, Tamim Iqbal and Mushfiqur Rahim.

l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l l 


Netherlands seal spot in super-10
Tribune Online Report

Netherlands stunned its Group B rivals Ireland and test playing Zimbabwe

Netherlands sealed their spot in super-10 of the world T20 beating Ireland by 6 wickets with 37 balls remaining in a dramatic game at Sylhet stadium on Friday.

The Dutch side chased down 189-run target set by Ireland, such a formidable target within 13.5 overs in a courageous and magnificent way on the much hyped ‘Group-B’ encounter.

They hooked the highest number of maximums in the Twenty-20 match hitting 19 over boundaries in the game.

Netherlands stunned its Group B rivals Ireland and test playing Zimbabwe and progressed to the Super-10 of the World T20. 

- See more at: http://www.dhakatribune.com/cricket/2014/mar/21/netherlands-seal-spot-super-10#sthash.CsAXkHPR.dpuf

  



ভারত বনাম পাকিস্তানঃ

FRIDAY, MARCH 21 - MIRPUR STADIUM, DHAKA.

মোঃ মোস্তাকিম বিল্লাহ অর্নব

Team member - Career Design. Location: Mymensingh, Bangladesh

March 2014

PUBLISHED TODAY, 20 MARCH 2014

টি-টোয়েন্টি রাঙ্কিং এ দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ভারত আর তৃতীয় অবস্থানে থাকা পাকিস্তানের খেলা মানেই উত্তেজনা, উন্মাদনা, ফাইনাল ম্যাচ হবার পূর্বেই অন্য এক ফাইনাল ম্যাচ এর আস্বাদন, খেলার শেষ বল পর্যন্ত ম্যাচ বাচিয়ে রাখা।

মোহাম্মদ হাফিজ এর নেতৃত্বে পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টিতে এ পর্যন্ত ম্যাচ জেতার হার ৬৩. ৫৩ শতাংশ অন্যদিকে মাহেন্দ্র সিং ধোনির নেতৃত্বে ভারতের এ পর্যন্ত ম্যাচ জেতার হার ৫৬.৬৬ শতাংশ ।

এ পর্যন্ত দু’দল  টি টোয়েন্টি ম্যাচ এ একে অপরের মুখোমুখি হয়েছে পাচ বার, যার মাঝে ভারত জিতেছে ৩ বার, আর পাকিস্তান একবার l ড্র হয়েছে একটি ম্যাচ।

আর দু’দল-ই নিয়েছে একবার করে টি-টোয়েন্টি কাপ। শেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতকে বিদায় নিতে হয় সুপার আট থেকেই পঞ্চম অবস্থানে থেকে, আর পাকিস্তানকে বিদায় নিতে হয় সেমি-ফাইনাল থেকে তৃতীয় অবস্থানে থেকে।

পরিসংখ্যান ভারতের দিকে ইশারা করলেও এ আসরে আসলে কে কাকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে ম্যাচ নিজের করে নিবে তা বলা অনেকটা অসম্ভবই বলা চলে।


                ANOTHER BIG MATCH AT DHAKA

The big game will take place tomorrow. Probably the most interesting match for the sub-continent viewers. India has a strong batting line-up and also very effective bowlers. I would say 60% of India's success depends on only 3 players - Virat Kohli, Rohit Sharma and Shikhar Dhawan. However, we also know the strength of other players, especially MS Dhoni and Yuvraj Singh.

Pakistan also has a very strong team comprising of star players such as Shahid Afridi, Umar Akmal, Umar Gul, Saeed Ajmal and Mohammad Hafeez. Only one of their players - the famous Shahid Afridi can change the game in only 2 or 3 overs!!!

This is the reason why a movie was made in Pakistan called "MEIN HOON SHAHID AFRIDI" (I am Shahid Afridi) which was also a superhit !!!

It's really difficult to predict the result of a T20 match played by India against Pakistan. I would say the chances are slightly in favour of India, (probably 60:40) just because India plays cricket in a systematic and disciplined manner. Whether they win or lose, they play in an organised way and with controlled emotions. But one thing is for sure. The venue, being Bangladesh, is a neutral venue. Bangladesh provides an equal opportunity for India as well as for Pakistan as both countries have a huge cricket supporter base.

We look forward to tomorrow's exciting cricket match...

- Abdur Quaderi

Editor, VARIETY      

bdjobseeker.net 

20 March 2014



 BANGLADESH VS AFGHANISTAN

 


মোঃ মোস্তাকিম বিল্লাহ অর্নব

Team member - Career Design. Location: Mymensingh, Bangladesh

March 2014

বাংলাদেশের এ যাবৎ কালের সবথেকে সফল অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম-এর নে্তৃ্ত্বে স্বাগতিক বাংলাদেশ এর কিছু দিন যাবৎ খারাপ সময় যাচ্ছে ঠিকই, কিন্তু বরাবরই নিজের দেশের মাটিতে যথেষ্ঠ শক্তিশালী এবং সেটা তারা প্রমাণ করেও চলেছে l অন্যদিকে আফগানিস্থান এশিয়া কাপ এ বাংলাদেশকে হারাবার মাধ্যমে জানিয়ে দিয়েছে প্রতিপক্ষ হিসেবে তারা মোটেও দূর্বল নয়। কিন্তু এক দিনের ম্যাচ আর স্ব্ল্প পরিসরের খেলা টি-টোয়েন্টি মোটেও এক কথা নয় । তাই অভিজ্ঞতার দিক থেকে স্বাগতিক বাংলাদেশকে আফগানিস্থানের থেকে শক্তিশালী বলা চলে ।

একদিকে বাংলাদেশের রয়েছে সাবেক নাম্বার ওয়ান অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান এবং মুশফিক, তামিম, রাজ্জাক, মাশরাফি্‌, মাহমুদুল্লাহ, নাসির, গাজীর মত অভিজ্ঞ ও এনামুল ,মোমিনুল, শামছু্র, জিয়াউর এর মত নবীন খেলোয়ার। অন্যদিকে আফগানিস্থানের রয়েছেন নবী, সাদিক, শেনওয়ারীর মত অলরাউন্ডার ও সাপুর, হামিদ এর মত দ্রুতগতির বোলার।‌ রাঙ্কিংক টেবিলে আফগানিস্তানের অবস্থান বাংলাদেশের এক ধাপ নিচেই। বাংলাদেশ এর অবস্থান ১০ম আর আফগানিস্থান ১১তম যথাক্রমে ৯১৪ ও ৯০৪ পয়েন্ট নিয়ে ।

বিগত এশিয়া কাপ এর ম্যাচগুলোর দিকে তাকালে দেখা যাবে বাংলাদেশ তাদের সবগুলো ম্যাচ অত্যন্ত ভাল খেলেছে, হেরেছে একদম ম্যাচ গুলোর শেষ প্রান্তে এসে, অনেকটা ভাগ্যের নির্মম পরিহাস । যেখানে বাংলাদেশ এর রানের গড় ছিল ২৫৮ শতাংশ আর আফগানিস্তান এর গড় রান ছিল মাত্র ১৭৮ দশমিক ৭৫ শতাংশ ।

আফগানিস্তান খেলেছে মোট ২২টি টি২০ ম্যাচ যার মাঝে জিতেছে ১১টি ম্যাচ ,অন্যদিকে বাংলাদেশ ৩১টি ম্যাচের মাঝে জিতেছে মাত্র ৯টি। তবুও অভিজ্ঞতার আলোকে ও স্বাগতিক হিসেবে আইসিসি টি-টোয়েন্টি আসরের এই বাছাই পর্বে আমি বাংলাদেশকেই এগিয়ে রাখব, যার সম্ভাবনাটা হতে পারে বাংলাদেশ ৬৫ শতাংশ আর আফগানিস্তান ৩৫ শতাংশ। 


TOMORROW'S MATCH - A DO OR DIE SITUATION FOR BANGLADESH

Bangladesh has a full team. From all available information that we have, Mushfique and Shakib are in excellent form. Tamim is back and so is Mashrafee.... what could be a better news for cricket lovers?

Afghanistan has the confidence and high aspirations because very recently they beat Bangladesh in Bangladesh..... unbelievable, but true!

Who will win? Bangladesh should win, Bangladesh must win. It has a track record of success in T20 against the top teams. Why Bangladesh lost to Afghanistan is simple - some key players were missing!!!

I have just read the article written by our cricket expert Arnab. However, I will give Bangladesh a slightly higher probability - 70%. Now we have to be patient and wait until tomorrow. We will also have to hope that we have a nice sunny day .... 

If Bangladesh wins tomorrow (and chances are very much), the journey should be very smooth to the Super 10 .......

May be some more cricket enthusiasts will start writing in this web page .....


- Abdur Quaderi

Editor, VARIETY      

bdjobseeker.net 

15 March 2014 




9th Afghan down 

Tribune Online Report 

Afghanistan have scored  69 in 14.1 overs for the loss of 8 wickets in the first match of the T20 World Cup against the host Bangladesh at Sher-e-Bangla National Stadium in Mirpur on Sunday.

Earlier, Bangladesh have won the toss and elected to field first.

The two teams played in the 2014 Asia Cup on March 1, with Afghanistan winning by 32 runs.


Bangladesh Team

Tamim Iqbal, Anamul Haque, Shakib al Hasan, Mushfiqur Rahim*, Sabbir Rahman, Nasir Hossain, Mahmudullah, Farhad Reza, Mashrafe Mortaza, Al-Amin Hossain, Abdur Razzak


Afghanisan Team

Mohammad Shehzad, Nawroz Mangal, Karim Sadiq, Shafiqullah, Mohammad Nabi, Gulbadin Najb, Samiullah Shenwari, Dawlat Zadran, Shapoor Zadran, Aftab Alam, Najeeb Tarakai

 

The report was published today [ 17 March 2014 ] in Dhaka Tribune. Reprinted with permission


 


হাত বাড়ালেই রূপসজ্জার উপাদান

Sun setting in a hazy smoggy polluted sky with muted blended colours of orange and purple  Harmful acid rain caused when emission compounds combine with the water molecules to form precipitation high in hydrogen, or acid, falling on the canopies of trees

Background of fresh dense green fern leaves or fronds growing in a moist environment  Abandoned truck in an overgrown woodland

লিখেছেনঃ   তাসফি আহমেদ

তথ্য সুত্র: সানন্দা, ক্যানভাস, সাপ্তাহিক ২০০০, উনিশ কুঁড়িমনোজগত

পূর্ব প্রকাশিতর পরে

হলুদঃ

যুগ যুগ ধরে বাঙ্গালীর খাদ্য তালিকায় মসলা হিসেবে হলুদের ব্যবহার হয়ে আসছে তবে মসলা ছাড়াও এই হলুদ অন্য ভাবেও ব্যবহার হতে পারে অমসৃন ত্বকে হলুদের গুঁড়োর সাথে মধু

অথবা চালের গুঁড়ো মিশিয়ে লাগান ১৫ মিনিট পরে ধুয়ে ফেলুন এটি স্ক্রাব হিসেবেও ব্যবহার 

করতে পারেন হলুদ মুখে লাগানোর আগে একটু দুধ মিশিয়ে নিন এই মিশ্রণ ব্যবহারে ত্বকে আসবে কোমলতা

 

আলুঃ

আলু আমাদের অতি পরিচিত  পছন্দের একটি সবজি আলুকে বলা হয এসিডিটি প্রতিরোধক আলুতে জিংক থাকায় তা ত্বকের যত্নে বিশেষ উপকারী আলুর সঙ্গে মধু মিশিয়ে মুখ  শরীরে লাগালে ত্বক উজ্জ্বল হয় ত্বকের দাগও দুর করে বিভিন্ন ধরনের ব্রণ নির্মূলেও আলু বিশেষ সহায়ক পুড়ে বা ঝলসে যাওয়া ত্বকের ওপর আলু থেতলে আলতো করে লাগালে ব্যথা কমে এছাড়াও আলু থেঁতলে নিয়ে চোখের ওপর দিন নিয়মিতব্যবহারে চোখের ডার্ক সার্কেল দূর 

হবে

 

ত্রিফলাঃ

আমলকী হরীতকী আর বহেড়াকে একত্রে ত্রিফলা বলা হয় এই তিনটি ফলের সংমিশ্রণের নাম দেয়াহয়েছে ত্রিফলা প্রাকৃতিক গুণ সম্পন্ন ত্রিফলায় রয়েছে কয়েকটি বৈজ্ঞানিক উপাদান যা ব্যবহারে চুল হয় লম্বা, কালো  ঘন চুল পড়ার প্রতিষেধক হিসেবে রাতে ভিজিয়ে রেখে পরের 

দিন বেটে চুলের গোড়ায় লাগিয়ে দুঘণ্টা রেখে যে কোন ভেষজ শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুনএছাড়া ত্রিফলাযুক্ত তেল ব্যবহারেও উপকার পাবেন

 

লেবুঃ

লেবু রূপচর্চার উপাদান হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত  ছাড়া লেবু  চুলের খুশকি প্রতিরোধক হিসেবে ব্যবহার করা হয় দুধ  লেবুর মিশ্রণ চুলের গোড়ায় লাগিয়ে - ঘণ্টা রেখে শ্যাম্পুকরলে খুশকি দূর হবে শ্যাম্পু করার পর পানিতে সামান্য লেবুর রস মিশিয়ে চুল ধুলে চুল ঝকঝকে রেশম 

কোমল  মনোরম হয়ে ওঠে

 

মেথিঃ

মেথির চুল কন্ডিশনিং এবং জীবাণুনাশক গুণাগুণ মাথার চামড়ার সংক্রমণ প্রতিরোধ  চুল পড়া 

বন্ধ করে এবং মাথা ঠান্ডা রাখে  চা চামচ মেথি রাতে অল্প পানিতে ভিজিয়ে রাখুনপরদিন নরম হলে মিহি করে বেটে চুলের গোড়ায় লাগিয়েরাখুন  ঘণ্টা পর শ্যাম্পু করে নিন চুলপড়া বন্ধে এটি অব্যর্থ ঔষধ

 

মেহেদিঃ

প্রাচীনকাল থেকেই মেহেদিকে সৌন্দর্য উপাদান হিসেবে ব্যবহার করা হয় বর্তমানে এই মেহেদি পাতাবেটে হেনা ডাই হিসেবে ব্যবহার করা হয় এই গাছের পাতাসুগন্ধী ফুল  মূল লতা 

গুল্মসমন্বিত গুণাগুণ চুলের ঔজ্জ্বল্য বাড়ায়ঝলমলে করে তোলেচুলের অতিরিক্ত তেলতেলে ভাব  খুশকি দূর করেমাথাও ঠান্ডা রাখে মেহেদি পাতা বাটাটকদইলেবুর রস 

ইত্যাদি মিশিয়ে চুলের গোড়ায় লাগিয়ে রাখুন ২০ মিনিট পরে চুল ধুয়ে ফেলুন

 

টমেটোঃ

নিয়মিত সৌন্দর্যচর্চার উপাদান হিসেবে টমেটো আপনাকে দিতে পারে উজ্জ্বল  পরিচ্ছন্ন ত্বক ত্বক পরিষ্কার করতে বেসন বা উপটানের সঙ্গে টমেটোর রস মিশিয়ে মুখে ২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন 

মুখ ভর্তি দাগ বা ব্রণ দূর করতে টমেটোর রসকাঁচা হলুদ আর মধু মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে ত্বকেব্যবহার করুন ত্বকের পোড়া ভাব দূর করতে বাইরে থেকে ফিরে মুখেগলায় ও হাতে 

টমেটোর রস লাগান শুকিয়ে গেলে আরো একবার লাগান ২০মিনিট পর